ইরান প্রথমে মার্কিন বাহিনীতে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছে এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়নি। রোববার (২ মার্চ ) কংগ্রেসের কর্মীদের সাথে রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন।কর্মকর্তারা বলছেন, শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ইরানের উপর কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় আক্রমণ শুরু করেছে। যাতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ১,০০০ টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। আরও পড়ুন:ইরানের সঙ্গে সংঘাতে প্রথম মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মুখ খুলল যুক্তরাষ্ট্রতারা আগের দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারণ ইরানিরা ‘সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর উপর আক্রমণ করতে পারে।’ এই আশঙ্কায়। একজন কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প চুপ করে বসে থাকবেন না এবং এই অঞ্চলে আমেরিকান বাহিনীকে আক্রমণ গ্রহণ করতে দেবেন না।হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডিলান জনসন এর আগে বলেছিলেন, পেন্টাগনের কর্মকর্তারা সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান কর্মীদের ইরানে মার্কিন হামলার বিষয়ে ৯০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে ব্রিফ করেছেন।ব্রিফিংয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অঞ্চলে প্রক্সি বাহিনী মার্কিন স্বার্থের জন্য আসন্ন হুমকি, তবে তেহরানের প্রথমে মার্কিন বাহিনীতে আক্রমণ করার বিষয়ে কোনো গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়নি, নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে। এদিকে, ট্রাম্প বলেন, এই হামলা যা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলবে বলে আশা করা হচ্ছে, তার লক্ষ্য ছিল ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র না রাখতে পারে, তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের জন্য হুমকি দূর করা। আরও পড়ুন:ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে সেনা হতাহতের কথা স্বীকার করলো যুক্তরাষ্ট্র শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে হামলা চালায়। চলমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত হন। এদিকে, ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলের স্থাপনা লক্ষৗ্য করে হামলা চালানো শুরু করে তেহরান। সূত্র: জিও নিউজ