মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান টেলিফোনে আলোচনা করেছেন।শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সামরিক অভিযান শুরু করার পর এই ফোনালাপ হয়েছে। হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তেহরানও উপসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে আমেরিকান ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়ে এর জবাব দিয়েছে। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার এক বিবৃতি অনুসারে, পুতিন এবং শেখ মোহাম্মদ চলমান সংঘর্ষের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বেশ কয়েকটি আরব দেশকে লক্ষ্য করে ইরানের স্পষ্ট আক্রমণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেইসাথে আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার উপর সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেন। আরও পড়ুন:হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করল লেবানন দুই নেতা সংঘাতের বিস্তার এড়াতে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানান, সমস্যা সমাধানে সংলাপ এবং কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়ার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন বলে জানানো হয়।হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে মস্কো আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন, রাশিয়া ইরান এবং সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য রাষ্ট্রের নেতৃত্বের সাথে অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখছে। এদিকে, রাশিয়া মার্কিন-ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে, একইসঙ্গে হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত এবং অপ্ররোচিত আগ্রাসন হিসাবে বর্ণনা করেছে যার লক্ষ্য শক্তি এবং আধিপত্যবাদী চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে অস্বীকারকারী সরকারকে উৎখাত করা। এর আগে পুতিন খামেনির হত্যাকাণ্ডকে মানব নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের সকল নিয়মের নিন্দনীয় লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছিলেন। আরও পড়ুন:মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা / রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা, মার্কিন হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত বললেন পুতিন অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের অপারেশন এপিক ফিউরি নামে পরিচিত মার্কিন-ইসরাইলি অভিযান তৃতীয় দিনে প্রবেশ করেছে, যেখানে ডনাল্ড ট্রাম্প প্রয়োজনে কয়েক সপ্তাহ ধরে অথবা ‘আমাদের সমস্ত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত’ আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সূত্র: আরটি