মৈত্রী ও সম্প্রীতিতে এবার পাহাড়ে ঈদ উদযাপিত হবে: পার্বত্যমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল ফিতর অনেক বড় একটি উৎসব। এবার পাহাড়ি-বাঙালি সবাই সার্বজনীনভাবে সংহতি, মৈত্রী ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে এই উৎসব পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে রাঙ্গামাটির মাতৃমঙ্গল এলাকায় ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, ‘পাহাড়ে যেমন বিজু, দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়, তেমনি আনন্দ ও সম্প্রীতির সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর যাতে উদযাপিত হয়, সেই ব্যাপারে প্রশাসনকে সজাগ থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়।’তিনি আরও বলেন, ‘একতাই হবে আমাদের শক্তি। সব সামাজিক উৎসব যাতে সম্প্রীতির বন্ধন হতে পারে তার দৃষ্টান্ত হবে ঈদুল ফিতর।’আরও পড়ুন: কাপ্তাই হ্রদ খনন শুরু হবে ১৮০ দিনের মধ্যেই : পার্বত্যমন্ত্রীমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কিছু দিনের মধ্যেই পার্বত্য অঞ্চল উৎসবের নগরীতে পরিণত হবে। মার্চের মাঝামাঝি ঈদুল ফিতর, তার পরপরই শুরু হবে পাহাড়ের সব থেকে বড় সামাজিক উৎসব বৈসাবি ও বাংলা নববর্ষ বরণ। মোট কথা টানা প্রায় এক মাস উৎসব চলবে। আর এসব উৎসবের মধ্য দিয়ে পাহাড়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে বিশ্বাস করি।’এ সময় সরকারের সঙ্গে সমাজের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।এ সময় প্রায় একহাজার পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, চিনি, সেমাই ও তেলসহ প্রায় আট প্রকারের ইফতার সামগ্রী দেয়া হয়।