ঈদযাত্রা সহজ এবং আরামদায়ক করতে এবার সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, ঈদের সড়কে কোনো ধরনের পার্কিং ও দোকান থাকবে না। এছাড়া বাড়তি ভাড়া আদায়ের জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না। মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা কথা দিয়েছেন কোনো বাড়তি ভাড়া আদায় হবে না। আমরা নির্ধারিত ভাড়ায় মানুষের চলাচল নিশ্চিত করতে চাই, এটা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। তবে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে কিছুটা ছাড় চাওয়া হয়েছে বলেও জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। আরও পড়ুন: মেট্রোরেল ও ট্রেন ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন যারা তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি যে এবার তাদেরকে ভাড়া নির্দিষ্ট হারে নিতেই হবে। যে ভাড়া আছে, সেটা অঙ্গীকার না শুধু, বাস্তবায়ন করা হবে। তবে তারা একটা দাবি করেছে, যে ঈদযাত্রায় বাসটা যখন খালি আসে তখন যেন সেতুর টোলটা ফ্রি করে দেয়া হয়। বাকিটা তারা অঙ্গীকার করেছে যে, ভাড়া বাড়াবে না, যাত্রীসেবার মানও ঠিক রাখবে। যানজট যাতে না হয়, টিকিট যেটা আছে সেটাও তারা স্বচ্ছতার সঙ্গে সেল করবে। এসব বিষয়ে আমাদের মনিটরিং আছে, ভাড়া বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।’ আরও পড়ুন: ঈদের ছুটি আরও বাড়ানোর বিষয়ে যে বার্তা দিলেন সেতুমন্ত্রী তিনি আরও বলেন, আরেকটা বিষয় হলো ঈদের আগমুহূর্তে রাস্তাঘাটে যে যানজট হয় এবং সেই সঙ্গে লঞ্চেরও এক ধরনের চাপ থাকে। এক্ষেত্রে গত প্রায় ১০ দিন ধরে কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো যারা এখানে যুক্ত আছেন এবং যারা মাঠে কাজ করবেন—র্যাব, মোবাইল টিম, নৌ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সড়কের ওপর যত্রতত্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, বাজার ও দোকানপাট বসানো এবং সড়ক দখল যাতে না হয়, যত্রতত্র পার্কিং যেন না থাকে তা নিশ্চিত করা হবে। সার্বিকভাবে স্বস্তির একটি ঈদযাত্রা হবে জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, আমাদের মনিটরিং আছে। আমি নিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ যে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে এতে স্বস্তি এবং আরামদায়ক ঈদযাত্রা হবে।