চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিশেষ টিমের অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি, ইয়াবা ও অন্যান্য সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারীরা পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে জড়িয়ে পড়ে।মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী বাজার সংলগ্ন আমিন উল্লাহ হাজী বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের ওয়াজেদিয়া এলাকার মো. ইসতিয়াক হাসান ইমন (২৬) ও মো. জসীম (৩৫)। সদরদফতরে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাতে অভিযান চালানো হলে বাসার ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েন। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। অভিযানের সময় গুলিবিদ্ধ জসীমকে সন্ত্রাসী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, একটি বিদেশি এসএমজি, একটি দেশি পাইপগান, ৪৫৫ রাউন্ড পিস্তলের কার্তুজ, ১৪ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ এবং ছোড়া শটগানের খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বাসা থেকে ধারালো দেশি অস্ত্র, ৮৮০ পিস ইয়াবা, বডি ওর্ণ ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি, ‘ব্যর্থতা মেনে নিয়ে’ অভিযানে পুলিশ পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃতরা বড় সাজ্জাদের অনুসারী। তারা বেশ কয়েকজনের নামও জানিয়েছেন যারা এসব অস্ত্র ও গুলি ব্যবহার করে এবং মাদক সেবনের জন্য সেখানে আসেন। অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, এ অভিযান জনগণের মধ্যে নিরাপত্তার আস্থা সৃষ্টির জন্য পরিচালনা করা হয়েছে এবং এতে আমরা সফল হয়েছি। ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমানের বাসায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। নগর পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলী বাজারে আমিন উল্লাহ হাজী বাড়িতে সাজ্জাদের অনুসারীরা অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর দুইজনকে গ্রেফতার করা হলেও কেইস ইকবালসহ অন্যরা পালিয়ে গেছে।