ইসরায়েল বুধবার ভোরে ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানের ভেতরে প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। ইরান এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়ে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণিলির মাধ্যমে যাতায়াতকারী তেলবাহী জাহাজকে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন নৌবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, মধ্যরাতের পর ইরানজুড়ে বিস্তৃত আকারে হামলা চালানো হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরান তিন দফায় ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার বলেন, শনিবার থেকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে চালানো অভিযানে প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। এসবের মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও যেসব অস্ত্র আমাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে সেগুলো অন্তর্ভুক্ত। ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ৭৮৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ইরান কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। ড্রোন হামলা চালানো হয় দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটের পাশের এলাকায়, এতে আগুন লাগলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কাতারের আল-উদেইদে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে বলে জানানো হয়। এর আগে রিয়াদ ও কুয়েত সিটিতে মার্কিন দূতাবাস এবং বাহরাইনে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের জেনারেল ইবরাহিম জব্বারি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আমাদের মূল কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায়, তাহলে আমরা পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবো। সূত্র: এএফপি এমএসএম