রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি ও দুই জনকে হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়ায় আজ রায় ঘোষণা না করতে আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। তবে নতুন করে আসামির সংখ্যা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।বুধবার (০৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আবেদনে বলা হয়েছে, আমির হোসেনকে গুলি ও দুই জনকে হত্যায় যে পুলিশ কর্মকর্তা নির্দেশ দিয়েছিলেন, তার কল রেকর্ডে পাওয়ার পরও মামলায় তার নাম আসেনি। ফলে রায় ঘোষণা স্থগিত রাখতে আবেদন জানিয়েছেন তারা। আরও পড়ুন: প্রসিকিউশনের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বিচারকাজ প্রভাবিত করবে না: চিফ প্রসিকিউটর এ মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান ও এসআই তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার আসামি। যদিও চঞ্চল চন্দ্র সরকার ছাড়া বাকিরা শুরু থেকেই পলাতক। যদিও এর আগে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম এর আগে বলেছিলেন যে, মামলা প্রমাণে সঠিক তথ্যপ্রমাণ দাখিল করেছেন তারা। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের অভিযোগ থেকে খালাস চেয়েছেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের হামলা থেকে প্রাণ বাঁচাতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন ভবনে ওঠেন আমির হোসেন নামের এক তরুণ। ওই সময় পুলিশও তার পিছু পিছু যায়। একপর্যায়ে ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তার ওপর ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়েন এক পুলিশ সদস্য। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। একই দিন বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন নাদিম ও মায়া ইসলাম।