কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের ৩ দিন পর নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা আলমগীর হুসেইনের (৪০) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আলমগীর হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের আ. মজিদের ছেলে।প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও স্বজনদের দাবি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি ভৈরব বাজার জনতা ব্যাংক শাখার একজন কর্মকর্তা বলে জানা যায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ লা মার্চ ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকার তার বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্য বের হলে আর ফিরেননি তিনি।তারপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখোঁজি করেও সন্ধান মিলেনি। পরে ভৈরব থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে কালিকাপ্রসাদ আকবর নগর এলাকার রেললাইনের ঢালে একটি ঝোঁপের মধ্যে মরদেহ পড়ে থাকতে এলাকাবাসী। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি কালে মরদেহের পাশে একটি বিষের বোতল পড়ে থাকতে দেখে। সেই সঙ্গে পায়ের গোঁড়ালিতে সামান্য দাগও দেখা যায়। আরও পড়ুন: ভৈরবে যুবক হত্যার বিচারের দাবিতে রেললাইন অবরোধ নিহতের বড় ভাই ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুলিশের মতের সাথে একমত নই, আমার ভাইয়ের চোখ উপরে উঠানে শরীরে আঁচরের চিহ্ন। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করবো। প্রাথমিকভাবে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।