টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চ এখন টগবগে ফুটন্ত কড়াই। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে ভারত-ইংল্যান্ড লড়াই। একদিকে শিরোপা ধরে রাখার প্রত্যয় টিম ইন্ডিয়ার, অন্যদিকে ২০২২ সালের পর আবারও শিরোপার হাতছানি থ্রি লায়নদের। ঘরের মাঠে অপ্রতিরোধ্য ভারত কি পারবে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠতে, নাকি ক্লিনিক্যাল ইংল্যান্ড ফাইনালের টিকিট কাটবে?স্বপ্ন এখন মাত্র দুই ধাপ দূরে। গ্রুপ ওয়ানে রানার্স আপ হয়ে সেমিফাইনালের মঞ্চে টিম ইন্ডিয়া। ক্যারিবীয়দের ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিতে পা রাখা সূর্যের দল এখন টগবগে আত্মবিশ্বাসে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারটা ছিল কিছুটা ধাক্কা, তবে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দাপুটে জয় প্রমাণ করেছে, এই কন্ডিশনে ভারতই রাজা।ভারতের তুরুপের তাস ইশান কিষান এবং সাঞ্জু স্যামসন। পাওয়ারপ্লেতে ২০০-র ওপর স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে প্রতিপক্ষকে শুরুতেই ব্যাকফুটে ঠেলে দিচ্ছেন তারা। অন্যদিকে, মিডল অর্ডারের ভরসা সূর্যকুমার যাদব। ৩৫৯ রান নিয়ে আসরের অন্যতম সেরা রান সংগ্রাহক তিনি। বোলিংয়ে অর্শদীপ সিং ও জাসপ্রিত বুমরাহ জুটির পেস আর সুইং সামলানোই হবে ইংল্যান্ডের বড় চ্যালেঞ্জ।আরও পড়ুন: অ্যালেনের বিশ্বরেকর্ডে দ.আফ্রিকাকে উড়িয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন ইংল্যান্ড, তখন লড়াইটা মোটেও সহজ নয়। হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বে তারা এখন এক 'ক্লিনিক্যাল মেশিন'। গ্রুপ টু-তে প্রতিটি প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিয়ে সেমিতে এসেছে থ্রি লায়নরা। মিডল অর্ডারে অধিনায়ক ব্রুক এবং ফিনিশিংয়ে স্যাম কারান-ফিল সল্টরা যেকোনো বোলিং লাইনআপ ধ্বংস করতে সক্ষম। বিশেষ করে আদিল রশিদের ঘূর্ণি ও লিয়াম ডসনের নিয়ন্ত্রণ ভারতের মিডল অর্ডারকে পরীক্ষায় ফেলবে।পরিসংখ্যান বলছে, শেষ ৫ লড়াইয়ে ৪টিতেই জিতেছে ভারত। কিন্তু নকআউট পর্বের চাপ সামলাতে ওস্তাদ ইংল্যান্ড। ২০২২ সালে অ্যাডিলেডে ১০ উইকেটের সেই হারের ক্ষত এখনও তাজা ভারতীয় সমর্থকদের মনে। এ ম্যাচে কি তার প্রতিশোধ নিতে পারবে ভারত? নাকি মুম্বাইয়ের দর্শকদের স্তব্ধ করে দেবে ইংলিশ লায়নরা?