ড্রোন হামলায় দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত ও কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ইরান ও আজারবাইজানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। যদিও ইরান দাবি করেছে, তারা আজারবাইজানে কোনো ড্রোন হামলা করেনি।চলমান উত্তেজনা প্রশমনে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন আজিজ ওগলু বায়রামভের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন, আজারবাইজানের নাখচিভানে ড্রোন হামলার পেছনে তেহরানের কোনো ভূমিকা নেই। আরাঘচি আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং পর্যালোচনা করছে। আরও পড়ুন: ড্রোন হামলার জন্য ইরানকে ক্ষমা চাইতে হবে: আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আরাঘচি এ ধরনের হামলার পেছনে ইসরাইলের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, জনমতকে বিভ্রান্ত করা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের ভালো সম্পর্ক নষ্ট করতেই এ ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। এর আগে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, ইরান কখনোই আজারবাইজানকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালায়নি। তাসনিমকে দেয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ইরান কখনোই আজারবাইজানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি। আমরা আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত করি না।’ আরও পড়ুন: এবার আজারবাইজানে আঘাত হানল ইরানি ড্রোন! এদিকে ড্রোন হামলায় দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার ঘটনায় ইরানের কড়া সমালোচনা করেছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নাখচিভান স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্রের ভূখণ্ডে ইরানি মনুষ্যবিহীন বিমানবাহী যান দিয়ে গুলি চালিয়েছে। লক্ষ্য ছিল বেসামরিক মানুষ। তিনি আরও বলেন, ‘আজারবাইজান রাষ্ট্র এই কুৎসিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায় এবং যারা এটি করেছে তাদের অবিলম্বে জবাবদিহি করতে হবে।