বগুড়ায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ছাত্রদল-যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ছাত্রদল কর্মী হত্যা এবং কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দায়েরকৃত পৃথক দুই মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর যুবদল ও ছাত্রদলের ৯ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন পৌর ছাত্রদলের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিবর্গ।নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবীর শেখ, পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, দপ্তর সম্পাদক সাজু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুজন মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল শাকিল, মো. আসিফ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান ও সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. বুলবুল এবং বুড়ইল ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক। জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃতদের অপকর্মের দায় দল নেবে না।আরও পড়ুন: সাংবাদিক নেতার ওপর হামলা, সাতক্ষীরায় ৪ যুবদল নেতা বহিষ্কারপুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নন্দীগ্রামের বুড়ইল গ্রামে ছাত্রদল কর্মী মিলন রহমানকে (১৬) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন পর গত ১ মার্চ নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিলের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।এই দুই ঘটনায় গত ৩ মার্চ পৌর ছাত্রদল সভাপতি পলিনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আসামিরা এখনও গ্রেফতার না হলেও দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করল।নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।