প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শনিবার (৭ মার্চ) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।জ্বালানির পর এবার সারেও বিপাকে পড়ছে বাংলাদেশ— বণিক বার্তার প্রধান সংবাদ এটি।এই খবরে বলা হয়েছে, গ্যাস সংকট মোকাবেলায় দেশের পাঁচটি সার কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। যদিও দেশীয় উৎপাদনে মোট চাহিদার সামান্য অংশ পূরণ হয়।তার ওপর কারখানাগুলো বন্ধ থাকায় আমদানির ওপর নির্ভরতা আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।কিন্তু বৈশ্বিক বাজারে সারের প্রধান কাঁচামাল গ্যাসের সরবরাহ সংকট, মূল্য ওঠানামা, জাহাজ সংকট, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি এবং প্রিমিয়াম চার্জ বাড়ার কারণে আন্তর্জাতিক সারের বাজারে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।এ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশকে সার আমদানিতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।এতে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা।এদিকে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে পরিমাণ সার আমদানি করার কথা তার পুরোটাই দেশে এসেছে। ফলে চলমান বোরো মৌসুম সামাল দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সারের মজুদ রয়েছে।তবে দীর্ঘমেয়াদে সারের বাজারে অচলাবস্থা থাকলে দেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি তারা। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Soudi visa curbs cut Bangladeshi jobs, war adds worries; অর্থাৎ ভিসা কড়াকড়িতে সৌদিতে চাকরির সুযোগ কমছে বাংলাদেশিদের, যুদ্ধ আরও বাড়িয়েছে উদ্বেগ। এই খবরে বলা হচ্ছে, বিদেশে কাজের জন্য বাংলাদেশিদের বড় গন্তব্যস্থল হচ্ছে সৌদি আরব। দেশটি থেকে আসে উল্লেখযোগ্য প্রবাসী আয়-ও।সৌদি আরবে গিয়ে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি বা কাজের অনুমতি না পাওয়ার অভিযোগ যখন আসছে, তার মাঝেই দেশটি কর্মসংস্থান ভিসা প্রদান কঠোর করেছে।খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত মাসে হাজার হাজার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। প্রকৃত চাহিদা ছাড়াই নিয়োগকর্তা জালিয়াতির মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগের ঘটনায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের বৃহত্তম শ্রমবাজার সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের যাওয়া কমে যাচ্ছে।জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে অভিবাসন ৩৩ শতাংশ কমেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে বিদেশে কর্মসংস্থান ৩২ শতাংশ কমেছে।গত ফেব্রুয়ারির প্রথম পাঁচ দিনে বাংলাদেশ থেকে যেখানে ১৩ হাজার ৬৬১ জন কর্মী সৌদি আরবে যায়, সেখানে চলতি মার্চ মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এই সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৭৪ জনে নেমে এসেছে।এদিকে, সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, নতুন কর্মীর চাহিদা হ্রাস পাবে।সমকালের দ্বিতীয় প্রধান খবর— সংকটের গুজবে জ্বালানি তেল কিনতে সারাদেশে হুড়োহুড়ি। এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় দেশে তেল সংকটের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।এর প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়েছে।গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনেও সড়কে দেখা দেয় যানজট। কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে, আবার কোথাও মজুত শেষ হয়ে সাময়িকভাবে পাম্প বন্ধ রাখা ও মারামারির ঘটনা ঘটছে।সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।পরিস্থিতি সামলাতে যানবাহনে তেল বিক্রির কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।সৃষ্ট এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাজধানীতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।এ সময় তেল নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে আহ্বান এবং বাড়তি তেল মজুত না করতে চালকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত ঘাটতির চেয়ে আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত চাহিদাই পরিস্থিতিকে বেশি চাপের মধ্যে ফেলছে। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা ঠিক করে দিল বিপিসি। এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে উদ্বেগে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় করা এবং অতিরিক্ত জ্বালানি তেল নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যখন, তার মধ্যেই ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল/অকটেন, ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার এবং এসইউভি/মাইক্রোবাসে ২০-২৫ লিটার তেল নিতে পারবে।পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে পরিমাণ হবে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।জ্বালানি তেল কেনার সময় রসিদ নিতে হবে এবং পরেরবার কেনার সময় সেই রসিদ দেখাতে হবে।চালকেরা বলছেন, বিপিসি নির্ধারিত তেল দিয়ে সাধারণ গ্রাহকেরা চলতে পারবেন। তবে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও গাড়ির ক্ষেত্রে এই পরিমাণ তেল দিয়ে চলবে না।যদিও গাড়ির বেশিরভাগ গ্যাসে চলে। মোটরসাইকেল চলে অকটেন ও পেট্রল দিয়ে। নতুন মোড় নিচ্ছে যুদ্ধ— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের সপ্তম দিনে গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো বি-২ স্টিলথ বোম্বার ব্যবহার করে ইরানে হাজার পাউন্ডের 'বাংকার বাস্টার' বোমা হামলা চালিয়েছে বলে পেন্টাগন জানিয়েছে।অন্যদিকে, ইরান ইসরায়েলে নজিরবিহীন ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে তেল আবিব।এছাড়া, যুদ্ধ এখন 'নতুন ধাপে' প্রবেশ করেছে বলে গতকাল ইসরায়েল দাবি করেছে।দেশটি বলছে, এখন থেকে ইরানের শাসনব্যবস্থার মূল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আরো বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো হবে।এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল অভিযান থেকে সরে এসেছেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে।অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেকেশকিয়ান জানিয়েছেন, কয়েকটি দেশ যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।ইসরাইলের হৃৎপিণ্ডে আঘাত- যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।খামেনির মৃত্যুর পর থেকে চলমান সর্বাত্মক সংঘাতের সপ্তম দিনে সরাসরি প্রতিপক্ষের ‘হৃৎপিণ্ডে’ হামলা করল ইরান। আইআরজিসির ‘নতুন অস্ত্র’ মাঠে নামানোর কড়া হুঁশিয়ারির পরপরই ইসরাইলের প্রধান লাইফলাইন-বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে প্রথমবারের মতো আঘাত হানল ইরানের ‘নতুন প্রজন্ম’র অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। ধসে পড়ল দেশটির নিশ্ছিদ্র আকাশ প্রতিরক্ষার অহংকার। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হাইফা বন্দর ও রাজধানী তেলআবিবের বিভিন্ন স্থানেও মুহুর্মুহু হামলা করেছে খামেনির উত্তরসূরিরা। এতদিন ‘সস্তা’ ড্রোনের ঝাঁক সামলাতেই দিশেহারা তেল আবিব ও পেন্টাগনের রাতের ঘুম এখন হারাম; কারণ তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে-তারা কোনো যুদ্ধবিরতির ভিক্ষা চাইছে না, বরং দীর্ঘস্থায়ী বড় যুদ্ধের জন্যই প্রস্তুত।ইরানের প্রবল প্রতিরোধের মুখে দিশেহারা যুক্তরাষ্ট্রও। মাত্র ৩ দিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুংকার দিয়ে বলেছিলেন, ইরানে স্থলসেনা পাঠানো নিয়ে আমার কোনো জড়তা নেই। সেই ট্রাম্পই এখন সুর বদলে বলছেন-ইরানে সেনা পাঠানো সময়ের অপচয় মাত্র। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই প্রবল প্রতিরোধ এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধপ্রস্তুতির কারণেই ট্রাম্প স্থল অভিযানের দুঃস্বপ্ন থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তবে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ধরে রেখে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেছেন, নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানও কোনো ধরনের সমঝোতা বা অস্ত্রবিরতিতে যাবে না। লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ইরানের ভূখণ্ডেই ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের পতন হবে। আরব দেশগুলোতে হামলার বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো মুসলিম দেশে হামলা করিনি। আমাদের মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল শুধু এসব দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। এদিকে, ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলও বড় পরিসরে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে পূর্ণশক্তিতে হামলা চালানো হচ্ছে। তার দাবি, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ৪ মিনিটের মধ্যেই তাদের মিসাইল লঞ্চারগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে মার্কিন বাহিনী। এছাড়া ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইরানের অন্তত ৩০টি জাহাজ ধ্বংস করারও দাবি করা হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তেহরানের কাছে যে সামরিক বাংকারগুলোতে ইরানের শীর্ষ নেতারা অবস্থান করছিলেন, সেখানে প্রায় অর্ধশত যুদ্ধবিমান নিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। এর আগে তেহরানের আজাদি স্টেডিয়ামেও হামলা হয়েছে। সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বাইরে ইরানের বিভিন্ন আবাসিক এলাকাতেও ক্রমাগত হামলা হচ্ছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বাংলাদেশ সবসময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে গতকাল শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি সমর্থন দিতে কূটনৈতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন।