শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যারা অবনতি ঘটাচ্ছে তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি, ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে নগরীর মির্জাজাঙ্গাল মণিপুরী রাজবাড়িতে আয়োজিত হোলি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই কোনোভাবেই সিলেটে এসব কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। আমরা একটি নিরাপদ সিলেট চাই। একাডেমি ফর মণিপুরী কালচার এণ্ড আর্টসের সভাপতি দিগেন সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেটে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, ভারতের মণিপুরের স্টেট কলা অ্যাকাডেমির ইলাংবাম জয়ন্ত সিংহ, সিলেট দেবালয় রথযাত্রা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি প্রশান্ত কুমার সিংহ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরদিন্দু ভট্টাচার্য, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়া প্রমুখ। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে দুই আলোচিত ঘটনায়ও একই কৌশল দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নগরীর সাগরদিঘিরপার এলাকায় এক নারী হেঁটে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলযোগে এসে দুই ব্যক্তি তার পথরোধ করে ব্যাগ ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্যাগ ছাড়তে না চাইলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখানো হয়। পরে তারা সটকে পড়েন। এর ঠিক ৯ দিন আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টার দিকে নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশার গতিরোধ করে এক নারীর ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ওই নারীর ব্যাগে মাত্র ১৫ হাজার টাকা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। দুটি ঘটনাই সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং পরে সেই ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে দুই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আপক করতে পারেনি পুলিশ। আহমেদ জামিল/কেএইচকে/এএসএম