মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর ইরান হামলা চালানোর জন্য নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে। এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা। খবর সিএনএনের।গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানের রাজধানীতে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। আজ শনিবার সংঘাত অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে তীব্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে হতাহতের পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। জবাবে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। গত শুক্রবার (৬ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে হবে বলে জানান ট্রাম্প। বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না, যদি না তারা নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে। জবাবে আজ শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, আগ্রাসনের মুখে তারা কখনই আত্মসমর্পণ করবেন না। প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে হুমকি দেন, আজ ইরানে কঠোর আঘাত হানা হবে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং নিশ্চিত মৃত্যুর’ জন্য নতুন লক্ষ্যবস্তু বিবেচনা করছে। আরও পড়ুন: পেজেশকিয়ানের ‘দুঃখপ্রকাশ’কে ‘ইরানের আত্মসমর্পণ’ বললেন ট্রাম্প সিএনএন জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ইরানের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিস্তৃতি এবং সরাসরি তাদের হত্যা করার হুমকি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ কারণে ইরান এখন আমেরিকান অঞ্চল, বাহিনী ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। যেগুলো এখনও ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি, সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করে হামলা চালানো হবে।