তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রায় জালিয়াতি ও হত্যাসহ ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে আদেশের জন্য রায় আজ রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত হবে।গত ৪ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন। গেল বছরের ২৬ অক্টোবর খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। বর্তমানে দুদকের করা প্লট বরাদ্দের মামলাটি ছাড়া বাকি চারটি মামলার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এর আগে গত বছরের ২৬ অক্টোবর রায় জালিয়াতি ও দুদকের মামলাসহ আলাদা পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। আজ দুদকের করা প্লট বরাদ্দের মামলাটি ছাড়া বাকি চারটি মামলার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়। আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, সারা হোসেন ও সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্যাহ আল মাহমুদ ও অন্যরা। আরও পড়ুন: জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে শাহবাগ ও নারায়ণগঞ্জে রায় জালিয়াতির অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে দুদকের মামলায় জামিন সংক্রান্ত রুলটি হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে বলে তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন।