‘দেখা যাক কী হয়’, মোজতবা খামেনির নিয়োগ প্রসঙ্গে ট্রাম্প

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নিয়োগ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরাইলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি শুধু বলেন, ‘দেখা যাক কী হয়’।স্থানীয় সময় রোববার (৮ মার্চ) ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমটিকে দেয়া সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘পারস্পরিক’ এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই যুদ্ধ অবসানের সিদ্ধান্ত নেবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি পারস্পরিক… কিছুটা হলেও। আমরা কথা বলছি। সঠিক সময়ে আমি সিদ্ধান্ত নেব, তবে সবকিছু বিবেচনায় নেয়া হবে।’ এর আগে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা তার (ট্রাম্পের) ‘অনুমোদন’ ছাড়া বেশি দিন টিকতে পারবেন না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে তিনি বলেন, ‘তাকে ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনে অবশ্যই আমাদের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তা না হলে তিনি (নতুন নেতা) বেশি দিন টিকতে পারবেন না।’ আরও পড়ুন: মোজতবা খামেনির প্রতি আইআরজিসির আনুগত্য প্রকাশ টাইমস অব ইসরাইলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগকে নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করার আহ্বান জানান। দুর্নীতির মামলায় বর্তমানে বিচারের মুখোমুখি রয়েছেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্প বলেন, ‘বিবিকে (নেতানিয়াহুর ডাক নাম) অবিলম্বে ক্ষমা করা উচিত। তাকে ক্ষমা না দিয়ে হারজোগ খুব খারাপ কাজ করছেন। আমরা চাই বিবি যুদ্ধের দিকে মনোযোগ দিন, কোনো হাস্যকর ক্ষমা প্রক্রিয়ার দিকে নয়।’ এদিকে মোজতবা খামেনির নিয়োগের সমালোচনা করেছেন রিপাবলিকান সিনেটরের লিন্ডসি গ্রাহাম। তিনি বলেন, ‘নিহত আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া ‘আমাদের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য নয়।’ আরও পড়ুন: নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করলো ইরান দক্ষিণ ক্যারোলিনার এই সিনেটর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আমার বিশ্বাস, সময়ের ব্যাপার, তিনিও শেষ পর্যন্ত তার বাবার মতোই পরিণতির মুখোমুখি হবেন।’ গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গত সপ্তাহে জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্পকে রাজি করাতে কীভাবে লবিং করতে হবে সে বিষয়ে তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে পরামর্শ দিয়েছেন।