প্রথমে সরকারি, এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্কুলে মিড ডে মিল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে শিক্ষা খাত নিয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিড ডে মিল প্রথমে সব উপজেলার সরকারি স্কুলে চালু করা হবে। এরপর সব স্কুলে চালু হবে। শিক্ষাকে সিঙ্গেল কারিকুলামের দিকে নেয়া হবে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলা, ইংরেজি ও ইবতেদায়ীসহ সব মাধ্যম সমমান থাকুক, সেটাই চায় সরকার, যাতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ১২ বছর পড়াশুনা করার পর তারা সমানভাবে দক্ষ হতে পারে। আরও পড়ুন: খাল দখল ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কড়া হুঁশিয়ারি ববি হাজ্জাজের প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি এবং খেলাধুলাকে কারিকুলামে আনতে কাজ করছে সরকার। জুন মাসের পর থেকেই এর প্রক্রিয়া শুরু হবে। সেটি আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। ‘ভাষাগত দক্ষতা, গণিতের দক্ষতা, নৈতিকতার উন্নয়নসহ দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়তে কাজ করতে হবে। আগামী ১০ বছরে যাতে আমাদের সন্তানরা অলিম্পিক মেডেল আনতে পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের হাতে টেকনোলজি তুলে দিতে চায় সরকার’, যোগ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। ববি হাজ্জাজ বলেন, স্কুল ভবনের বাইরে অর্থ খরচ করে পড়াশুনার কার্যক্রম হোক, সেটা সরকার চায় না। তিন বছর পর আর কোচিং না দেখার বিষয়ে সরকার আশাবাদী। আরও পড়ুন: ববি হাজ্জাজের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন জামায়াত জোটের প্রার্থী সরকার জবাবদিহিমূলক কাজ করতে চায় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইশতেহার বাস্তবায়নে আগামী ৫ বছরে কীভাবে কাজ করতে হবে, সেটাই এখন মূল লক্ষ্য। ‘প্রাথমিক শিক্ষায় ৯৬ শতাংশ অংশগ্রহণকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে সরকার। ক্লাস ওয়ানের পর লটারি পদ্ধতি থাকার যৌক্তিকতা নেই। এটার বিষয়ে পলিসিগত কাজ চলছে। আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ ছাড়া, পথশিশুদের জন্য শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে নেয়া পদক্ষেপগুলোকে আরও গতিশীল করা হবে’, যোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি আরও বলেন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি, আলোচনা চলছে। সেক্ষেত্রে আমাদের বাস্তবতা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর রমজানের ছুটি বিগত সরকারের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চলছে। আগামী দিনে এই সরকারের ক্যালেন্ডার সংশোধন করা হবে।