ইরান তাদের নৌ-ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়ার মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যদি সাহস করেন, তাহলে তিনি পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন।এ বিষয়ে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণরূপে আইআরজিসি নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এবং ইরানের সম্পূর্ণ সার্বভৌমত্ব রয়েছে।’ ‘ট্রাম্প কি বলেননি যে, তিনি ইরানি নৌবাহিনী ধ্বংস করেছেন? তাই, যদি তিনি সাহস করেন, তাহলে তিনি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তার জাহাজ পাঠাতে পারেন।’ আলী মোহাম্মদ আরও বলেন। আরও পড়ুন:৩টি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের, নেতানিয়াহুকে হুমকিনাইনি আরও দাবি করেছেন যে, ইরান এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩,৬০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন ‘শত্রুরা’ ইরানের সামরিক ও সামাজিক প্রতিরোধের শক্তি স্বীকার করবে, নাইনি জোর দিয়ে বলেন। ‘আমরা আক্রমণকারীকে শাস্তি দিতে চাই এবং শত্রুর উপর আমাদের ভারী ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালিয়ে যেতে চাই।’ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর ইসরাইল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ প্রায় ১,৩০০ জন নিহত হওয়ার পর থেকে, শত্রুতা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। আরও পড়ুন:হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে নতুন বার্তা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরএর জবাবে ইরান ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর মার্চের শুরু থেকে তারা কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। সূত্র: আনাদোলু