ইউরোপ-আমেরিকা যাত্রায় যুদ্ধের ধাক্কা, ভাড়া বেড়েছে কয়েকগুণ

তিন মাস আগে ইউরোপের দেশ পর্তুগালের ডি-১ (কাজের ভিসা) ভিসা পেয়েছেন কুমিল্লার চান্দিনার আবু তাহের। গত ১০ মার্চ কাতার এয়ারওয়েজে তার পর্তুগালের লিসবন যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে কাতার এয়ারওয়েজ থেকে মোবাইলে ফোনে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তার নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পরে রি-শিডিউল ফ্লাইট শিগগির জানানো হবে। অথচ আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তার ভিসার মেয়াদ। এ সময়ের মধ্যে তাকে পর্তুগালে যেতে হবে। কাতার এয়ারওয়েজের এমন তথ্যে দিশাহারা হয়ে পড়েন আবু তাহের। তিনি জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি কাতার এয়ারওয়েজের ওই টিকিট কিনেছিলেন তিনি। এজন্য ঢাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সিকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা দিতে হয়। এখন ফ্লাইট বাতিল করেছে কাতার এয়ারওয়েজ। রি-শিডিউল ফ্লাইট কবে হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ টিকিট রিফান্ডের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু রিফান্ড করলেও মধ্যপ্রাচ্য এড়িয়ে যেসব এয়ারলাইন্স ইউরোপে যাতায়াত করে, সেগুলোর ভাড়া নাগালের বাইরে চলে গেছে। অর্থাৎ এক লাখের টিকিট এখন দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা হয়ে গেছে। এত টাকা সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। ঢাকার সেগুনবাগিচার বাসিন্দা সারোয়ার আলম। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। বছরে অন্তত একবার দেশের বাইরে পরিবার নিয়ে বেড়াতে যান। আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর তারা পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। সে অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে ভাড়ার খোঁজখবর নিচ্ছিলেন তারা। কিন্তু ভাড়া নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় তারা তাদের পরিকল্পনা বাতিল করেন। আলাপকালে সারোয়ার আলম বলেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি পল্টনের একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যে কোনো একটি দেশে ট্রানজিট দিয়ে নিউইয়র্কের ভাড়ার খোঁজ নিয়েছিলাম। তখন ট্রাভেল এজেন্সি থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি, কুয়েত হয়ে নিউইয়র্কে ‘ইকোনমি ক্লাস’ রিটার্নে ভাড়া এক লাখ ৪০ হাজার টাকার মতো লাগবে। পাঁচদিন পর যখন পরিবারের চার সদস্যের টিকিট কাটতে গেলাম, তখন দেখি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো ফ্লাইট নেই। অর্থাৎ যুদ্ধের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ। ওই গন্তব্যগুলোতে পরবর্তীসময়ে পরিস্থিতির উন্নতি এবং সেখানকার এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় যে কোনো হালনাগাদ তথ্য যাত্রীদের যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।-বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম এ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমার বাইরে দিয়ে যেসব এয়ারলাইন্স ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক যাত্রী পরিবহন করে, সেগুলোতে খোঁজ নেন সারোয়ার আলম। তখন দেখেন, টার্কিশ এয়ারলাইন্স, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সে ঈদের আগে নিয়মিত ফ্লাইটে কোনো সিট ফাঁকা নেই। এমনকি ঈদের পর অর্থাৎ এপ্রিলের মাঝামাঝি যে কয়েকটি আসন ফাঁকা পাওয়া গেছে, সেগুলোর দাম নাগালের বাইরে। যেমন, আগে ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে বিজনেস ক্লাসে যে ভাড়ায় যাতায়াত করা যেত, এখন ইকোনমি ক্লাসের ভাড়া তার চেয়ে বেশি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়। পরে ইরান পাল্টা জবাব হিসেবে সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান ও লেবাননে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এসব দেশ তাদের আকাশসীমা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রেখেছে। এতে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। আরও পড়ুনযুদ্ধের প্রভাবে শাহজালালে ৪৭৫ ফ্লাইট বাতিল, আজও ২৪টিশাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা নিয়ে বাংলাদেশ-জাপান বৈঠকফ্লাইট স্থগিতে দিশাহারা প্রবাসীরা, দেশে ফেরার অনিশ্চয়তায় ওমরা যাত্রীরা ওই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি এবং ১৪ মার্চ ২৬টি ও ১৫ মার্চ ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়। সবশেষ ১৫ মার্চ বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজের দু’টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ) দু’টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) দু’টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) চা’টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) দু’টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের (কুয়েত) চারটি, ফ্লাইদুবাইয়ের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) চারটি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দু’টি। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে দিনে দেড় শতাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উড্ডয়ন-অবতরণ করে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ ফ্লাইটই মধ্যপ্রাচ্যের। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ১৫ মার্চ পর্যন্ত সবচেয়ে প্রবাসীর চাপ থাকা মধ্যপ্রাচ্যের রুটে নির্ধারিত ৮৯৫টি ফ্লাইটের মধ্যে প্রায় ৫০০টি বাতিল হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আসা-যাওয়া কোনোটিই করতে পারছেন না যাত্রীরা। এর বাইরে যেসব যাত্রী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো হয়ে ইউরোপ, আমেরিকার দেশগুলোতে যাতায়াতে টিকিট কেটেছিলেন, তারাও ভ্রমণ করতে পারছেন না। এর মধ্যে জরুরিভাবে যাদের ভ্রমণ দরকার হচ্ছে, তাদের কয়েকগুণ বেশি টাকা দিয়ে বিকল্প পথের এয়ারলাইন্স বেছে নিতে হচ্ছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে আফ্রিকার শীর্ষ উড়োজাহাজ সংস্থা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস ঢাকা-আদ্দিস আবাবা রুটে সরাসরি যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে। এখন এয়ারলাইন্সটি ঢাকায় সপ্তাহে পাঁচটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। যাত্রীরা আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং এর বাইরেও বিশ্বব্যাপী ১৫৫টিরও বেশি গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত আফ্রিকার দেশগুলোতে যাত্রীদের যাতায়াতের উদ্দেশ্যে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের ঢাকা যাত্রা শুরু। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউরোপ-আমেরিকার গন্তব্যের যাত্রীদের প্রচুর চাপ বেড়েছে। আগামী এপ্রিল পর্যন্ত কোনো ফ্লাইটেই আসন ফাঁকা নেই। মধ্যপ্রাচ্যের রুটগুলোতে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট স্থগিতে এ চাপ বেড়েছে। এ কারণে টিকিটের ভাড়াও অনেক বেড়েছে। একইভাবে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের চাহিদা বেড়েছে অনেক বেশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টার্কিশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধের কারণে ইরান তথা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা এড়িয়ে ঢাকা-ইস্তাম্বুল যাত্রী পরিবহন করে টার্কিশ এয়ারলাইন্স। এ কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় জ্বালানি খরচ বেড়েছে। তবে যাত্রী চাহিদা বাড়ায় ভাড়াও বেড়েছে কয়েকগুণ। ৯ মার্চ ইতালির রোম থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সে করে ঢাকা ফেরেন কিশোরগঞ্জের জাকির হোসেন। বিমানবন্দরে আলাপকালে জাকির বলেন, ৪ মার্চ কুয়েত এয়ারওয়েজে ঢাকা ফেরার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধের কারণে ইউরোপ থেকেও কুয়েতের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ কারণে টিকিটের টাকা রিফান্ড করে তিনগুণ দামে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকিট কিনেছি। কারণ, আসন্ন ঈদ পরিবারের সঙ্গে করার পরিকল্পনা ছিল। এছাড়া রোমে যে কোম্পানিতে চাকরি করি, সেখান থেকেও আগেই ছুটি নেওয়া হয়েছিল। সীমিত পরিসরে চলছে মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইটমধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর সৌদি আরবের জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ, দাম্মামের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। তবে পরদিন দাম্মাম বাদে অন্য বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ইউরোপ-আমেরিকাগামী ফ্লাইটগুলো সীমিত আকারে চলছে। আবার শুরু থেকে কুয়েত, শারজাহ, বাহরাইন, কাতার, দুবাই, কুয়েতের অধিকাংশ ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। যদিও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ৪ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বেশ কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করেছে দেশের বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা। এছাড়া গত ১৩ মার্চ শারজাহ এবং ১৪ মার্চ থেকে আবুধাবি রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে এয়ারলাইন্সটি। অর্থাৎ সপ্তাহে চারদিন (শুক্র, রোব, মঙ্গল ও বুধবার) ঢাকা থেকে শারজাহ এবং ১৪ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে তিনদিন (শনি, সোম ও বৃহস্পতিবার) ঢাকা থেকে আবুধাবি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে ইউএস-বাংলা। জানতে চাইলে ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শারজাহ ও আবুধাবির পর দুবাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত আছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গন্তব্য জেদ্দা, রিয়াদ, মাস্কাট রুটে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগির ঢাকা থেকে দোহা রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। আরও পড়ুনফ্লাইট রিশিডিউলের খবর নেই, নতুন করে টিকিট কেটে সৌদি যাচ্ছেন অনেকেফ্লাইট রিশিডিউলের খবর নেই, নতুন করে টিকিট কেটে সৌদি যাচ্ছেন অনেকেফ্লাইট স্থগিত, শাহজালাল বিমানবন্দরে অনিশ্চয়তায় হাজারো যাত্রী যুদ্ধের কারণে যেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যেসব ফ্লাইট রি-শিডিউল কবে করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, যেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, ওই গন্তব্যগুলোতে এখন নিয়মিত ফ্লাইট চলছে। যেগুলো বাতিল হয়েছিল, সেগুলো রি-শিডিউলের কাজ চলছে। এজন্য যাত্রীকে কোনো চার্জ দিতে হবে না। আর যারা রিফান্ড চায়, তাদের অনুরোধ করেছি তারা যেন সংশ্লিষ্ট এজেন্ট এবং এয়ারলাইন্সের সেলস সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ (০১৭৭৭৭৭৭৮০০-৬ অথবা ১৩৬০৫ নম্বরে) করে। যুদ্ধের কারণে এয়ারলাইন্সের ভাড়া বাড়ার বিষয়ে ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বলেন, সম্প্রতি জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ১৭ টাকা বেড়েছে। এটি যুদ্ধের কারণের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে। এ কারণে এখন নতুন করে যারা টিকিট কাটছেন, তাদের ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলছে। কারণ তেলের দাম বাড়লে এয়ারলাইন্স পরিচালনা খরচ বেড়ে যায়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের ফ্লাইটে পরিচালনা স্থগিত রেখেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, ওই গন্তব্যগুলোতে পরবর্তীতে পরিস্থিতির উন্নতি এবং সেখানকার এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় যে কোনো হালনাগাদ তথ্য যাত্রীদের যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। এমএমএ/এমআইএইচএস