শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তিতে আর লটারি ব্যবস্থা থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুল ভর্তিতে লটারি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে। এরফলে ক্লাস ওয়ান থেকে লটারির মাধ্যমে আর ভর্তির সুযোগ থাকছে না। পাশাপাশি এমন কোনো প্রতিযোগিতা আনবো না, যেন শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় লটারি, এটাতো জুয়া খেলা। এটা কীভাবে সিস্টেম হতে পারে? আমরা লটারি পদ্ধতি বাতিল করেছি। আগে থেকেই জানিয়ে দিলাম। তবে কী পদ্ধতিতে ভর্তি হবে সেটা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। তবে খুবই সাধারণ পদ্ধতিতে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হতে পারে। শিক্ষায় বরাদ্দের ঘাটতি আছে জানিয়ে এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, লটারি ইস নট সলিউশন। সমন্বিত ভর্তি সিস্টেম আমরাই করেছিলাম ২০০১ সালে। আপনি যদি অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করেন, তাহলে দেখবেন তাদের বরাদ্দ এবং আমাদের বরাদ্দ কি এক? তবু আমরা এসেই প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করেছি। আরও কাজ আমরা করছি। এগুলো আলোচনায় আনতে হবে। শুরুতে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় (যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে) প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। আরও পড়ুন: চার শর্তে ঢাবিতে খেলোয়াড় কোটায় ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনো পরীক্ষার মাধ্যমেই ভর্তি সম্পন্ন হতো। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়।