নিয়ম ভাঙার অভিযোগে বড় শাস্তির মুখে ইংলিশ ক্লাব চেলসি। আর্থিক প্রতিবেদন, তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগ এবং যুব উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রিমিয়ার লিগের বিভিন্ন নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ক্লাবটিকে ১ কোটি সাড়ে ৭ লাখ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্লাবটির মূল দলের ওপর এক বছরের জন্য খেলোয়াড় নিবন্ধনে (দলবদল) নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে এই শাস্তি দুই বছরের জন্য স্থগিত থাকবে।পাশাপাশি ক্লাবটির একাডেমি দলের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ৯ মাসের ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে এসব শাস্তির বিষয়টি জানিয়েছে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চেলসির বর্তমান মালিকপক্ষ ২০২২ সালে স্বেচ্ছায় লিগ কর্তৃপক্ষকে জানায় যে, তাদের কাছে অতীতে নিয়ম ভঙ্গের সম্ভাব্য কিছু প্রমাণ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিষয়টি তদন্ত করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে। আরও পড়ুন: ভালভার্দের ব্রাজিলিয়ান পাসপোর্ট না থাকার আক্ষেপ আনচেলত্তির তদন্তের পর প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা প্রমাণ করেছে যে, চেলসির সঙ্গে যুক্ত তৃতীয় পক্ষ গোপনে খেলোয়াড়, অনিবন্ধিত এজেন্ট ও অন্যান্য তৃতীয় পক্ষকে অর্থ দিয়েছিল। এই অর্থ দেওয়াটা সেই সময়ে ফুটবল নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশ করা হয়নি। ২০০৩ সালে রুশ ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচ চেলসির মালিকানা গ্রহণ করেন এবং প্রায় দুই দশক ক্লাবটি তার অধীনেই পরিচালিত হয়। তবে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আরও পড়ুন: আটালান্টার বিপক্ষে খেলার জন্য একজন গোলরক্ষকও নেই, বায়ার্ন মিউনিখ কী করবে এর প্রেক্ষাপটে সেই বছরই আব্রামোভিচ চেলসির মালিকানা বিক্রি করে দেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী টড বোয়েলির নেতৃত্বাধীন একটি বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর কাছে। আব্রামোভিচের মালিকানাকালীন সময়ে বেশ কিছু ট্রফি জেতে চেলসি। ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ক্লাবটি দুটি করে প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জেতে। পাশাপাশি একটি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগ এবং লিগ কাপ শিরোপাও ঘরে তোলে চেলসি।