যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে, একদিনে টোল ৩ কোটি

শুরু হয়েছে ঈদের ছুটি। রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার যানবাহনের চাপ বেড়েছে৷ তবে কোথায় কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। এদিকে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। অপরদিকে যানজট নিরসনে মহাসড়ক পুলিশ নিরসলভাবে কাজ করছে৷ পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে সরকার ছুটি হয়েছে। এতে মহাসড়ক বাড়ছে যানবাহনের চাপ৷ মহাসড়কের গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইল এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন সুবিধা পাচ্ছে যাত্রীরা। এতে নির্বিঘ্নেই যাত্রীরা যেতে পারছে৷ কিন্তু মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত কাজ চলমান থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৫৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ২০ হাজার ৭৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা। যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আগের থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে । এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর ২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ কর্পোরেশন টোল আদায় করছে। আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/জেআইএম