হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক করতে মিত্রদের পাশে না পেয়ে ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তালিকায় এমন কিছু দেশের নাম রয়েছে যাদের যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে সহায়তা করে আসছে।ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে আছে হরমুজ প্রণালি নিয়ে। প্রণালিটি স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান বেশ কয়েকটি দেশের নাকচের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কিছু দেশ সহায়তা করতে আগ্রহী নয়, যাদের বহু বছর যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুব বেশি দিন এভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। অনেক দেশ আমাকে জানিয়েছে তারা আসছে। কেউ এ বিষয়ে খুবই উৎসাহী, আবার কেউ ততটা নয়। এমনও কিছু দেশ আছে যাদের আমরা বহু বছর ধরে সাহায্য করেছি। অথচ তারা তেমন উৎসাহ দেখায়নি। আর সেই উৎসাহের মাত্রাটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’ এরমধ্যেই ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে অনীহা প্রকাশ করেছে। এর আগে, অস্বীকৃতি জানিয়েছে জাপান আর অস্ট্রেলিয়াও। আরও পড়ুন: যুদ্ধ শুরুর পর বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে সবচেয়ে বড় হামলা এদিকে সোমবার রাতভর তেল আবিব, জেরুজালেমসহ ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে ইরান। এরমধ্যে তেল আবিবে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের দাবি করেছে ইসরাইল। জেরুজালেমে ইহুদিদের কবরস্থানে পাশে পাওয়া গেছে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের চিহ্ন। শুধু ইসরাইলই নয়। প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি তেলক্ষেত্র ও বিমানবন্দরেও হামলা চালায় তেহরান। এতে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। অন্যদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের একটি স্বনামধন্য হোটেল এবং মার্কিন দূতাবাসে হামলার পর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সৌদি, কাতার ও বাহরাইন ইরানের হামলা প্রতিহতের দাবি করেছে। আরও পড়ুন: আল জাজিরার বিশ্লেষণ / ‘ধ্বংসস্তূপ’ থেকেও উড়ছে মিসাইল: ইরানের অন্তহীন ক্ষেপণাস্ত্রের রহস্য কী? লেবানন থেকেও ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হিজবুল্লাহ। নাহারিয়ায় বেশ কয়েকজনের হতাহতেরও খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ইসরাইলের স্থলবাহিনী দক্ষিণ লেবাননে নতুন অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ। হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলও। তেহরানের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যুৎ বিভাগের একটি ভবনে ইসরাইলি বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। এর আগে ইসরাইল জানায়, তেহরান ছাড়াও শিরাজ এবং তাবরিজে বড় পরিসরে হামলা চালাচ্ছে তারা।