ভোলার চরফ্যাসনে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বসতঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত ও ৪০টি ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা।সোমবার (১৬ মার্চ) রাত ২টার দিকে হঠাৎ করেই ঝড় আঘাত হানে সাগরকুলের ইউনিয়ন ঢালচরে। ঝড়ের সঙ্গে সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি শিলাবৃষ্টিও হয়। এ সময় অনেক ঘরের চাল-বেড়া উড়ে যায়।এ বিষয়ে ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, প্রতিদিনের মত ওইদিন রাতে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সেহেরির আগমুহূর্তে দক্ষিণ থেকে ধেঁয়ে আসা তীব্র গতির বাতাসে তার বসতঘরের চালা উড়ে যায়। ঈদের তিন দিন আগে মাথাগোঁজার ঠাঁই হারিয়ে এখন তারা অসহায়। পরিবারের ঈদ আনন্দ কেড়ে নিয়েছে।আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় আকস্মিক ঝড়ে ৫ শতাধিক ঘর লন্ডভন্ডএকইভাবে ঢালচরের কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দা, মো. হাসান, মো. ইব্রাহিম, মো. জসিম, আক্তার, মো. রিয়াজ, শাহিন হাওলাদার, মো. আনোয়ার ও মো.গিয়াস উদ্দিনের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তারা।চর মানিকা ইউনিয়ন চর কচ্চপিয়া বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম হাওলাদার জানান, ঝড়ে তার দোকান ঘরের চালা উড়ে গেছে।আরও পড়ুন: ৩৫ সেকেন্ডের ঝড়ে লন্ডভন্ড নীলফামারী, ঘরে ঘরে কান্নার রোলঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ঢালচর রেঞ্জার মুইনুল হাসান জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রায় ঢালচরে ৩০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ক্ষতির বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।চরফ্যাসনের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় এখনও তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। তালিকা শেষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে।