বিশ্বকাপের আগে ‘লাকি’ ভেন্যুতেই শেষ ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ গুয়াতেমালা

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে স্পেনের বিপক্ষে বহুল আলোচিত ফিনালিসিমা ও কাতারের বিপক্ষে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ— দুটিই বাতিল হয়েছে। যে কারণে নতুন করে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পথে হেঁটেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৭ মার্চ মাঠে নামবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে গুয়াতেমালা।২০২৬ বিশ্বকাপের আগে গুয়াতেমালার বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ম্যাচের সূচি ও প্রতিপক্ষ জানিয়েছে। তবে কোন মাঠে খেলা হবে, সেটা এখনও জানানো হয়নি।  আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বুয়েনস আইরেসে। তবে নির্ধারিত ভেন্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। কনসার্টের ব্যস্ত সূচির কারণে ঐতিহ্যবাহী মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম এবার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিকল্প দুটি ভেন্যু নিয়ে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এর মধ্যে লা বোম্বোনেরা এগিয়ে আছে আলোচনায়, যাকে অনেকেই ‘লাকি ভেন্যু’ হিসেবে দেখছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কাতার বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার শেষ ম্যাচটিও হয়েছিল এই স্টেডিয়ামেই।  আরও পড়ুন: ‘মেসির জন্য বার্সার দরজা সবসময় খোলা’–সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হয়ে লাপোর্তার ঘোষণা কাতারের দোহায় লুসাইল স্টেডিয়ামে আগামী ২৭ মার্চ মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল লাতিন আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপের সেরা দল স্পেনের। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে শেষ পর্যন্ত গত রোববার (১৫ মার্চ) ম্যাচটি বাতিলের ঘোষণা দেয় উয়েফা।  এই ম্যাচ বাতিল হওয়ায় ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চার বছরের একটি পূর্ণ বিশ্বকাপ চক্রে কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে না খেলেই বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা।  আরও পড়ুন: পুনর্নির্বাচিত হয়েই সুখবর দিলেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের আগে ইউরোপের একাধিক শক্তিশালী দলের বিপক্ষে হয়েছিল আর্জেন্টিনা। ২০১৯ সালে জার্মানির সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র, ২০২২ সালের ফিনালিসিমায় ইতালিকে ৩-০ ব্যবধানে হারানো এবং একই বছরে এস্তোনিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোলের জয়— সব মিলিয়ে সে সময় ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে দারুণ ছন্দেই ছিল স্কালোনির দল।  বিশ্বকাপ চক্রে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার নজির ছিল ১৯৮২ সালের স্পেন বিশ্বকাপের প্রস্তুতিপর্বে। সেবার সেসার লুইস মেনোতির অধীনে থাকা দলটি ইউরোপের বিভিন্ন দলের বিপক্ষে ২২টি ম্যাচ খেলেছিল।