মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে সতর্ক করে কী বলেছিলেন লারিজানি?

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। অপরদিকে তাকে হত্যার চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর লারিজানিই ছিলেন দেশটির সবচেয়ে সিনিয়র নেতা। আলী লারিজানি তার মৃত্যুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ইরানি নেতাদের হত্যা করা হলে তা কেবল দেশটিকে আরও শক্তিশালী করবে। ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ আগে লারিজানি এই মন্তব্য করেছিলেন। এরপরেই তাকে নিশালা করলো ইসরায়েল। তাকে হত্যার ঘটনা সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে একটি। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন। লারিজানিকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত শুক্রবার তেহরানে আয়োজিত আল-কুদস দিবসের সমাবেশে। সেখানে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মিছিলে অংশ নেন। ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন লারিজানি। তিনি একসময় পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক আলোচনা নেতৃত্ব দেন। এছাড়া তিনি দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বাসিজের কমান্ডারকেও হত্যা করেছে। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, সামরিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তেহরানের অভ্যন্তরে বিমান হামলা চালিয়ে ছয় বছর ধরে বাসিজ বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা গোলাম রেজা সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়েছে। বাসিজ ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অধীন একটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী। টিটিএন