ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোয় স্থানীয় টিভিতে বাংলাদেশি সেবা সংস্থার প্রতিবেদন প্রকাশ

গাজা ও সুদানের মানবিক সংকটকে ঘিরে নানা আবেগী প্রচারণা, ভুয়া পরিসংখ্যান ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মধ্যে প্রমাণভিত্তিক কার্যক্রম দিয়ে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ। সংস্থাটি ধারাবাহিকভাবে মাঠকেন্দ্রিক, স্বচ্ছ ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।সংস্থাটির সভাপতি মুফতী মাহফুজুল হক এবং মহাপরিচালক মুহাম্মদ রাজ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রম শুধু সহায়তা প্রদানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বাস্তব উপস্থিতি, শক্তিশালী স্থানীয় সমন্বয়, আমানতের স্বচ্ছ ব্যবহার এবং দৃশ্যমান ফলাফলের মাধ্যমে মানবিক কাজে নতুন একটি মানদণ্ড স্থাপিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সেবামূলক সংস্থার কার্যক্রম ফিলিস্তিনের নিজস্ব গণমাধ্যম ফিলিস্তিন টিভি-তে দৃশ্যমানভাবে প্রচারিত হয়েছে। গণমাধ্যমটির জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতেও সংস্থাটির কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে আল জাজিরা, বিবিসি এবং মিশর টাইমস-সহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে গাজা ও সুদানে পরিচালিত এ সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক সংস্থার কাছ থেকেও তাদের উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। আরও পড়ুন: শাড়ি-লুঙ্গি দিয়ে কি জাকাত আদায় হয়? সম্প্রতি ফিলিস্তিন টিভির একটি প্রতিনিধি দল সরেজমিনে সংস্থাটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছে। মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি, স্থানীয় সমন্বয় এবং বাস্তব সহায়তা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ইতোমধ্যে তাদের প্ল্যাটফর্মে বিষয়টি তুলে ধরেছে। জানা গেছে, ঈদের পর গাজায় সংস্থাটির কার্যক্রম নিয়ে ফিলিস্তিন টিভিতে একটি বড় ডকুমেন্টারি প্রকাশ করা হবে। গাজায় নির্ভরযোগ্য মানবিক কার্যক্রম অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে একাধিক সূত্রে এই সংস্থার নাম উঠে আসায় তারা বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে। সংস্থাটি শুরু থেকেই স্বচ্ছতা, সততা, জবাবদিহি এবং আমানতের সঠিক ব্যবহারকে মানবিক কাজের মূল ভিত্তি হিসেবে ধরে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নিয়মিতভাবে কার্যক্রমের প্রমাণ, বাস্তব চিত্র এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরা হচ্ছে। এদিকে, মহাপরিচালক মুহাম্মদ রাজের সঙ্গে সাম্প্রতিক সফরে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইবরাহিম খলিল, সহসভাপতি মাওলানা মুহসিন বিন মুঈন, আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক মাওলানা জমির মাশরুর এবং মাওলানা আহমাদুল্লাহ যামি। তাদের সমন্বিত পরিকল্পনা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এ মানবিক উদ্যোগকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করেছে।