ব্রেস্ট ক্যানসার বর্তমানে খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ‘সেলফ ডিটেকশন’ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রশ্ন কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হতে হবে?ভারতীয় এক চিকিৎসেকের মতে, বয়স ২৫ পার হলেই চিকিৎসকদের কাছে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে হবে। স্তনে মাংসপিণ্ড (লাম্প) বা টিউমার হওয়া মানেই কিন্তু ক্যানসারের ঝুঁকি আছে, এমনটা নয়। বরং ১০-১৫ শতাংশ টিউমারেই এই ভয় থাকে, কিন্তু সেই চিকিৎসা দ্রুত শুরু করা দরকার।কী ভাবে বুঝবেন শরীরে বাসা বাঁধছে এই রোগ? জেনে নিন- ১. এক্স-রে ম্যামোগ্রাফি, স্তনের আল্ট্রাসাউন্ড, এমআরআই, সিটি এবং পিইটি স্ক্যানের মাধ্যমে স্তন ক্যানসার নির্ণয় করা সম্ভব। স্তন ক্যানসার ২ থেকে ৫ বছর ধরে শনাক্ত না-ও হতে পারে এবং তাই উপসর্গহীন ক্যানসারের ক্ষেত্রে স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব অনেক। আরও পড়ুন: ফুসফুস পরিষ্কার রাখার ঘরোয়া ১০ উপায়২. স্তন ক্যানসারের লক্ষণ অনেক সময়ে বাহুমূল বা কলার বোনের তলাতেও দেখা যায়। এ ছাড়া স্তনবৃন্তের আশপাশেও এই ধরনের লাম্প থাকে যেগুলি টিপলে শক্ত লাগে এবং অবস্থান পরিবর্তন করে না। এমন কিছু দেখলেও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।৩. কোনও রকম র্যাশ নেই স্তনে, তবু চুলকানির মতো অনুভূতি হচ্ছে, এটাও কিন্তু ক্যানসারের লক্ষণ। স্তনে টিউমার থাকলে তা আশপাশের টিস্যুগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং তার ফলে স্তনে একটা ফোলা ফোলা ভাব দেখা যায়। এরই সঙ্গে স্তনে লালচে ভাবও থাকে। আরও পড়ুন: ইউরিন ইনফেকশন বড় কোনো রোগের ইঙ্গিত নয় তো?৪. স্তনে হাত দিলে বা চাপ দিলে ব্যথাও লাগে। কাঁধ এবং ঘাড়ের ব্যথাও ব্রেস্ট ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। কারণ, এই ক্যানসার স্তন থেকে খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে শরীরের এই অংশগুলিতে। স্তনের আকার বিকৃত হলে কখনওই দেরি করবেন না। ৫. ল্যাকটেটিং মাদার নন অথচ স্তন থেকে অল্প অল্প দুধের মতো তরল পদার্থ নিঃসরণ হচ্ছে, এমনটা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যাবেন। এটি স্তন ক্যানসারের অন্যতম বড় লক্ষণ।