পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির বিরুদ্ধে ইরানের অবস্থানে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসবে না। বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানি গণমাধ্যমে প্রচারিত এক মন্তব্যে আল জাজিরাকে এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতা এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে তার মতামত জানাননি।সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যিনি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের শুরুতে নিহত হন, ২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে জারি করা একটি ফতোয়া বা ধর্মীয় আদেশে গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির বিরোধিতা করেছিলেন।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলসহ পশ্চিমা দেশগুলো বছরের পর বছর ধরে তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টার জন্য অভিযুক্ত করে আসছে, অন্যদিকে ইরানি কর্তৃপক্ষ বলেছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুমাত্র বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। আরও পড়ুন:লারিজানিকে হত্যা ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের পারমাণবিক মতবাদ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তবে তিনি উল্লেখ করেন যে ফতোয়া জারিকারী ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভরশীল। তিনি মোজতবা খামেনির মতামত নিয়ে অনুমান করতে অস্বীকৃতি জানান।আরাঘচি বলেন, ফতোয়া নির্ভর করে তা প্রদানকারী ইসলামী আইনবিদের ওপর। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির আইনগত বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিচার করার মতো অবস্থানে তিনি এখনও নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের সীমান্তবর্তী দেশগুলোর হরমুজ প্রণালীর জন্য একটি নতুন প্রোটোকল প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ইরান ও আঞ্চলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা যায়। আরও পড়ুন:আলী লারিজানিকে হত্যা / ‘যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইলকে নতজানু করা হচ্ছে, শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত গ্যাস সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি প্রবেশপথটি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। দেশটি বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও তাদের সহযোগীদের কাছে এক লিটার তেলও পৌঁছাতে দেবে না। সূত্র: রয়টার্স