আলি লারিজানির হত্যার নিন্দা রাশিয়ার

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানির হত্যার নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, রাশিয়া এমন সব কর্মকাণ্ডের ‘দৃঢ়ভাবে নিন্দা’ জানাচ্ছে, যেগুলো একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হত্যা বা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।গত সোমবার (১৬ মার্চ) ইসরাইলের হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি নিহত হন। পাশাপাশি বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেমানিকেও হত্যা করা হয়।  আজ বুধবার (১৮ মার্চ) তেহরানে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার উপকূলে নিহত দেশটির নৌ-সেনাদের জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানায়, তাদের জানাজায় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মানুষ অংশ নেন। ইরানের ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ বলয়ের এক প্রভাবশালী মুখ ছিলেন আলি লারিজানি। ষাটোর্ধ্ব এই কর্মকর্তার বিচরণ শুধু নিরাপত্তা প্রধানের ভূমিকাতেই সীমিত ছিল না। আরও পড়ুন: উপসাগরীয় শহরগুলোতে হামলার দায় সম্পূর্ণ আমেরিকার: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, সম্প্রচার সংস্থাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছিল তার বিচরণ। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও নিরাপত্তা নীতির অন্যতম স্থপতির মৃত্যুতে তেহরানের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে আজ ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক বিমান হামলায় ইরানের গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী ইসমাইল খতিব নিহত হয়েছেন। তার সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তারও নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কাৎজ আরও বলেন, তিনি এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামরিক বাহিনীকে যেকোনো জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে হত্যার অনুমতি দিয়েছেন। এর জন্য আর কোনো বাড়তি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। আরও পড়ুন: বিশ্লেষণ / হরমুজ সংকটেই ফাঁস মার্কিন জোটের আসল চিত্র গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ রাজনৈতিক ও সামরিক একাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হন।