বাগেরহাটে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আসামি ছিনতাই

বাগেরহাটের কচুয়ায় পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে নাদিম শেখ (৩৩) নামের এক গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে তার সহযোগীরা।বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পরোয়ানাভুক্ত আসামি নাদিম শেখ উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের মৃত গফফার শেখের ছেলে। ২০২৪ সালের একটি দস্যুতা মামলায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়াও এলাকায় মারধর, চাঁদাবাজী ও দখলসহ নানা অভিযোগ রয়েছে নাদিম শেখের বিরুদ্ধে। আহত পুলিশ সদস্যদের নাম রাজু খান। তিনি কচুয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন।পুলিশ জানায়, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি নাদীম শেখকে (৩৩) গ্রেফতার করতে এসআই আনিচুর রহমান ও এএসআই ইমদাদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি দল তার বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশ নাদিমকে আটক করে নিয়ে আসার সময় তার ছোট ভাই সাগর শেখ দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।আরও পড়ুন: বাগেরহাটে আইজিপির বাড়ির সার্ভিস তার চুরি: গ্রেফতার ৩আসামি নাদিমকে ছিনিয়ে নিতে সাগর পুলিশ কনস্টেবল রাজু খানকে লক্ষ্য করে কোপ দিলে তার ডান হাত গুরুতর জখম হয়। এই সুযোগে নাদীম ও সাগর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।আহত কনস্টেবল রাজু খানকে  উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুর রহমান বলেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত নাদিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যখন নিয়ে আসতেছিল, তখন তার ভাই অতর্কিত হামলা করে আমাদের পুলিশ সদস্যদের উপর। এতে পুলিশ সদস্য রাজু খান গুরুতর জখম হয়। অপরাধিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।২০২২ সালের ২০ মার্চ রাতে খলিশাখালীর পাশের গ্রাম সম্মানকাঠি গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছিলেন। পটপরিবর্তনের পরে ২০২৫ সালের ০১ এপ্রিল বাগেরহাটের কচুয়ায় গ্রেফতার আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।