দেশব্যাপী স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ব্যতিক্রমী ও অনন্য কোরআন প্রতিযোগিতা পুষ্টি ভার্সেস অফ লাইট, সিজন-২ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।টি.কে গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন মাদারল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন হামজা। প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানার আপ হয়েছেন তাহসিন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রেদোয়ান ইবনে তাহের এবং সেকেন্ড রানার আপ হয়েছেন মাদ্রাসায়ে আবু হুরায়রা (রা.) তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাজ উদ্দিন। বিজয়ীদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় পুরস্কার। চ্যাম্পিয়ন পেয়েছেন নগদ ৩ লাখ টাকা, ফার্স্ট রানার আপ পেয়েছেন ২ লাখ টাকা, সেকেন্ড রানার আপ পেয়েছেন ১ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি বিজয়ীরা পেয়েছেন ওমরাহ পালনের সুবর্ণ সুযোগ এবং টি.কে গ্রুপের সৌজন্যে আকর্ষণীয় গিফট হ্যাম্পার। দেশের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে অংশ নেয়া অসংখ্য প্রতিযোগীর মধ্য থেকে ৩০ জনকে নিয়ে প্রতিযোগিতার মূল পর্ব শুরু হয়। প্রতিযোগিতার পুরো আয়োজন জুড়ে ছিলে সাতটি রাউন্ড এবং মোট ২৭টি এপিসোড, যেখানে স্কুল ও মাদ্রাসার ছেলে ও মেয়ে প্রতিযোগীরা একই মঞ্চে তিলাওয়াত পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। আরও পড়ুন: কোরআন নাজিলের মাসে জীবনে কতটা প্রয়োগ করছি? প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইন্টারন্যাশনাল কোরআন রিসাইটেশন অ্যাসোসিয়েশনের (ইকরা) প্রেসিডেন্ট এবং ইনস্টিটিউট অব কোরআনিক সায়েন্স অ্যান্ড ফনেটিক্স, বাংলাদেশের প্রধান ক্বারী শায়খ আহমদ বিন ইউসুফ আল আজহারী। এছাড়া বিচারক হিসেবে ছিলেন হাফেজ মাওলানা আবদুল কাদের রহমানি, ক্বারী বাসিরুদ্দিন। গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টি.কে গ্রুপের বিজনেস ডিরেক্টর মোফাচ্ছেল হক। এছাড়াও গ্রুপের বিভিন্ন ইউনিটের হেড অব বিজনেস এবং হেড অব সেলসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সহযোগী আয়োজক ছিল টি.কে গ্রুপের বিভিন্ন ব্র্যান্ড-পুষ্টি হ্যাপি টাইম, পুষ্টি গ্লোরি, পুষ্টি প্লাস, ঈগল ঢেউটিন, রেজিনা বিউটি সোপ, ফ্রুটিয়ানা, সুপার কোলা এবং ফিলআপ।