দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ আটে লিভারপুল, বড় জয় পেয়েছে বায়ার্নও

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিভারপুল ও বায়ার্ন মিউনিখ। দুই দলই নিজেদের ম্যাচে প্রতিপক্ষকে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েছে।অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগে গালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে লিভারপুল। স্লটের দল বল দখল ও আক্রমণে ছিল অনেক এগিয়ে। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে কর্নার থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সোবোসালাই। প্রথমার্ধে আরও সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি স্বাগতিকরা; এমনকি পেনাল্টি থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হন মোহাম্মদ সালাহ।তবে দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ৫১তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান হুগো একিতিকে। এক মিনিট পরই রায়ান গ্রাভেনবার্চ গোল করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। এরপর ৬২তম মিনিটে দারুণ এক শটে নিজের গোলের খাতা খুলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন সালাহ। পুরো ম্যাচে ৬১ শতাংশ বল দখলে রেখে ৩২টি শট নেয় লিভারপুল, যার ১৬টি ছিল লক্ষ্যে—যা তাদের দাপটই প্রমাণ করে।অন্যদিকে, আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় সমান তালে আধিপত্য দেখায় বায়ার্ন মিউনিখ। আতালান্তার বিপক্ষে ম্যাচের ২১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবার গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ইংলিশ তারকা এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন।আরও পড়ুন: নিউক্যাসলের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নেয় বায়ার্ন। লেনার্ট কার্ল ও লুইস দিয়াজ গোল করে ব্যবধান বাড়ান। শেষ দিকে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল পায় আতালান্তা, তবে তাতে ম্যাচের ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়েনি।দুই লেগ মিলিয়ে ১০-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে বায়ার্ন মিউনিখ। অন্যদিকে লিভারপুলও আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্সে শেষ আটে জায়গা করে নিয়ে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে।এদিকে রাতের আরেক ম্যাচে টটেনহ্যামের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। তবে প্রথম লেগে ৫-২ গোলে জয় পাওয়ায় শেষ আট নিশ্চিত করেছে মাদ্রিদের ক্লাবটি।