ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কমছে যাত্রীর চাপ, স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ

গত দুই দিনের চরম ভোগান্তি ও দীর্ঘ যানজট কাটিয়ে অবশেষে স্বস্তির দেখা মিলেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরের পর থেকে এই মহাসড়কে যাত্রীদের ভিড় কমতে শুরু করেছে এবং যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে।সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে এই মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল, যা সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে। তবে আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যে দীর্ঘ যানজট ছিল, তা এখন আর নেই। যানবাহনগুলো নিজস্ব গতিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে। একই চিত্র দেখা গেছে চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কেও। তবে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় যানবাহনের কিছুটা আধিক্য থাকায় প্রায় ৫ কিলোমিটার জুড়ে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।সকাল থেকেই যাত্রীরা বাস না পেয়ে অনেক ক্ষেত্রে ট্রাক ও পিক-আপে করেও গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। দুপুরের পর থেকে বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের ভিড় অনেকটাই কমে এসেছে।পরিবহন চালকদের মতে, গতকাল বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি হওয়ায় একসাথে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। এর ওপর বিকেল থেকে টানা বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। রাতভর যানজটের কারণে কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়েছে।আরও পড়ুন: মাঝ নদীতে জাহাজ-লঞ্চ সংঘর্ষ: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন দুই শতাধিক যাত্রীকোনাবাড়ি থেকে রওনা হওয়া যাত্রী এনামুল হক বলেন, বুধবার (১৮ মার্চ) যানজটের খবর শুনে চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু আজ দুপুরের পর রওনা হয়ে দেখলাম রাস্তা একদম পরিষ্কার। কোনো ভোগান্তি ছাড়াই স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চলছে।মহাসড়কের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হাইওয়ে পুলিশ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, বুধবার বৃষ্টির কারণে সড়কে কিছুটা ভোগান্তি ও ধীরগতি তৈরি হয়েছিল। তবে আজ সকাল থেকেই পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে এবং স্বাভাবিক। দুপুরের পর থেকে যাত্রীর চাপও কমে এসেছে। ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।