মিরপুরের উইকেট নিয়ে সন্তোষ, ভবিষ্যতেও একই ধারার পরিকল্পনার কথা জানালেন পাইলট

পাকিস্তান সিরিজে মিরপুরের উইকেট হয়েছে প্রশংসিত। বাংলাদেশ দলের পাশাপাশি পাকিস্তানিরাও স্পোর্টিং উইকেট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সারা বছরই এমন উইকেট রাখতে চায় বিসিবি। জানিয়েছেন গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট।সদ্য সমাপ্ত পাকিস্তান সিরিজ মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম সম্পর্কে ধারণাই যেনো বদলে দিয়েছে। সফর করে যাওয়া শাহিন-শাহ-আফ্রিদির দল রীতিমতো ভড়কে গেছে। তাদের সাবেক ক্রিকেটাররাও অবাক। ঢাকার উইকেট তো স্পিনবান্ধব! এমন পেস সহায়ক পিচ আশাই করেনি তারা। আর এজন্য ক্রেডিট চাইতেই পারেন বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট।  ‘বাংলাদেশ দুইটা ম্যাচ জিতেছে … সিরিজ জিতেছে পাকিস্তানের সাথে। এর সাথে সাথে আমি বলবো যে একটা প্লাস পয়েন্ট … বাংলাদেশ যে পিচে খেলেছে সেই পিচটা কিন্তু খেলোয়াড়রা থেকে শুরু করে সবাই বলছে ওয়াও, মানে অসাধারণ উইকেট। সাধারণত বাংলাদেশে খুব স্লো উইকেট, স্পিন ট্র্যাক হয়ে থাকে, লো স্কোরিং খেলা হয়; কিন্তু প্রত্যেকটা খেলোয়াড় দেশি এবং পাকিস্তানি খেলোয়াড়রাও বলেছে, বাংলাদেশে কিন্তু সুপার উইকেট ছিল।  আরও পড়ুন: যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বলের সংকট, অর্ধেক সরবরাহ নিয়েই মৌসুম শুরু করছে ইংল্যান্ড চিরচেনা স্লো উইকেটের পরিবর্তে গতিময় আর বাউন্সি ট্র্যাক পেয়ে খেল দেখিয়েছে টাইগার ফাস্ট বোলাররাও। তাসকিন-মোস্তাফিজরা তো ছিলেনই। যৌথভাবে সিরিজসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন নাহিদ রানা।  ব্যাটাররাও রান পেয়েছেন। তানজিদ তামিম ছিলেন দুর্দান্ত। তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাসরাও অবদান রেখেছেন। সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডেতে প্রায় তিনশ' রান করেছে বাংলাদেশ। আদর্শ স্পোর্টিং ট্র্যাক তো এমনই হয়।  এপ্রিলে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আসবে নিউজিল্যান্ড দল। আগামী বছরের ওডিআই বিশ্বকাপের সমীকরণ মেলাতে এ সিরিজটাও গুরুত্বপূর্ণ। ঐ মেগা ইভেন্ট হবে সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে। প্রোটিয়াদের বাউন্সি কন্ডিশনের জন্য দলকে প্রস্তুত করতে হোমে এমন উইকেটের চাহিদা টিম ম্যানেজমেন্টেরও।  আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে শাহরুখের ‘নাইট রাইডার্স’ স্টেডিয়াম, নজর এখন অলিম্পিকে খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যে এরকমই উইকেট রাখার। সারা বছর বাংলাদেশ এই রকম টাইপের উইকেটেই খেলবে, যেন ডমেস্টিক এবং ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচে আমাদের ক্রিকেটটা ডেভেলপ করতে পারি। আমি মনে যে, এখানে (পাকিস্তান সিরিজে মিরপুরের উইকেটে) যেহেতু বাংলাদেশ অলমোস্ট ৩০০ রান করেছে, ভবিষ্যতে এই রকম উইকেটে খেলতে পারলে... আরও বেশি পরিমাণে ম্যাচ খেলতে পারলে বাংলাদেশ টিম দেখবেন খুব শীঘ্রই ৫০ ওভারের ম্যাচে সাড়ে তিনশ রান চেজ করতে পারছে।’      ঈদের ছুটিতে নিজ নিজ এলাকায় ক্রিকেটাররা। রাজশাহীতে ইফতার আয়োজনে সাবেক ও বর্তমানদের গেট টুগেদার। খালেদ মাসুদ পাইলট, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাব্বির রহমান, মুক্তার আলি, সানজামুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, সাকলায়েন সজীব, মেহরব হোসেন, নিহাদুজ্জামানদের সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংগঠকরাও। লোকাল ক্রিকেটের উন্নয়নে কীভাবে অবদান রাখা যায়, আলোচনা হয়েছে সেগুলো নিয়েও।