ঈদযাত্রা: শেকড়ের টানে ছুটছে মানুষ

প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে শেকড়ের টানে ছুটছেন মানুষ। রেল, সড়ক আর নদীপথে উপচেপড়া ভিড়। তবে ঈদের আগে মহাসড়কে যানজটে কিছুটা স্থবির জনজীবন। এরপরেও প্রিয়জনের সান্নিধ্য আর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার আশায় কষ্ট ভুলে নাড়ির টানে ছুটছেন সাধারণ মানুষ। দিনভর সড়ক, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে ছিল বাড়িফেরা মানুষের মিছিল।ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্ত। সদরঘাটে দক্ষিণাঞ্চলগামী মানুষের চোখে মুখে দেখা গেছে খুশির জোয়ার। বাড়িতে অপেক্ষায় মা-বাবা-বন্ধু-স্বজন। সব প্রিয়মুখের সঙ্গে হবে দেখা। সব বিপত্তি উপেক্ষা করে ঈদের টানা ছুটিতে তাই বাড়িরপানে যাত্রা তাদের। গতকালের দুর্ঘটনায় পর বেড়েছে বিআইডব্লিউটিএর তৎপরতা। প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসানের কড়া নির্দেশনা, ট্রলার দিয়ে যাত্রী উঠলেই নেয়া হবে ব্যবস্থা। এদিকে রেলস্টেশন ছিল জনসমুদ্র। উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ট্রেনেই ছিল যাত্রীতে ঠাসা। ভেতরে জায়গা না পেয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ছাদে ওঠেন অনেকে। আরও পড়ুন: নীলসাগর দুর্ঘটনায় স্টেশন মাস্টার ও ২ চালক বরখাস্ত: রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বুধবার নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়ে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল। এদিন নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়ে ৭ ঘণ্টা দেরিতে। একতা ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেসও একই রকম বিলম্ব হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। ছভি ভিডিও থেকে নেয়া  এদিকে, রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে বাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন অনেকে। একসঙ্গে হাজারো মানুষের যাত্রায় সড়কপথেও গাড়ির জট। সকালে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট দেখা গেলেও দুপুরের পর গাড়ির চাপ থাকলেও স্বাভাবিক হয় চলাচল। গাজীপুরেও যান চলাচলে দেখা দেয় ধীরগতি। আরও পড়ুন: দেশের আকাশে দেখা যায়নি চাঁদ, শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর এদিকে বাসভাড়ার বিষয়ে যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিবেদনটি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন সড়ক ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।