কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ওসির গাড়িতে (পিকআপ) হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত ৮ টা ৫ মিনিটের দিকে কুমারখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলংগীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ওসির ব্যবহৃত পিকআপ গাড়িটির সামনের গ্লাসের একাধিক স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়। এঘটনায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আফজাল হোসেনের চাচতো ভাই আনোয়ারের সঙ্গে আরেক চাচাতো শিপলুর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে এমপি আফজালের সঙ্গে আনোয়ারের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর এমপি পুলিশকে খবর দিলে রাত ৮ টা ৫ মিনিটের দিকে কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এলংগীপাড়া যান। তখন পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে এমপির চাচাতো ভাই আনোয়ার ও শিপলু এবং তাদের লোকজন রেললাইনের পাথর এলোপাতাড়িভাবে নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। তবে এ ঘটনায় এখনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন: মাদ্রাসাছাত্রীকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, সুপার গ্রেফতাররাত ৯টার দিকে কুমারখালী থানা চত্বরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাসে ভাঙচুরের ক্ষত। পুলিশের মাঝে অস্থিরতা বিরাজ করছে।এ সময় কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এমপির স্বজনদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এমপির ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল যায়। তখন পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে রেললাইনের পাথর নিক্ষেপ করতে থাকেন উভয়পক্ষের লোকজন। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’এ বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি মো. আফজাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে এমপির মুখপাত্র ও ভাতিজা আইনজীবি রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় এমপি বাড়িতে ছিলোনা। তখন পারিবারিক বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এলাকায় আসলে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আমরাও চেষ্টা করছি।