সৌদির সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুরের ১০ গ্রামে ঈদুল ফিতর পালিত

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন পিরোজপুরের কয়েকটি উপজেলার ১০টি গ্রামের আট শতাধিক পরিবার। উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এসব পরিবারের ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঈদের এসব জামাত অনুষ্ঠিত হয়।  প্রতি বছর পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজী ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়ি, নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমিন মসজিদ এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন কি জায়েজ? জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর গ্রামের হজরত মাওলানা আহমেদ আলী সুরেশ্বরী (রহ.) পীরের অনুসারীরা দীর্ঘ ১৫০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখাসহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এসব পরিবারের সদস্যরা আজ আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া এই ৬টি গ্রামের প্রায় ৭ শতাধিক পরিবার আজ ঈদ করছে।  এছাড়া কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া এলাকার প্রায় ৭৫ থেকে ৮০টি পরিবার; নাজিরপুর উপজেলার খেজুরতলা গ্রামের ৩৫টি পরিবার এবং সদর উপজেলার কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০টি পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে।