দীর্ঘ ৩৬ বছর পর অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে জাতীয় ঈদগাহ

দীর্ঘ ৩৬ বছর পর এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। এবার একই জামাতে কাতারবন্দি হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে উৎসবের আবহে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে চৈত্রালি বৃষ্টি। আবহাওয়া অফিস বলছে, ঈদের দিন দেশজুড়েই রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।দুয়ারে কড়া নাড়ছে খুশির ঈদ। প্রায় একমাস প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে চলছে জাতীয় ঈদগাহর সাজসজ্জার কাজ। প্রতিবার এমন আয়োজন থাকলেও এবার ঈদগাহের প্রস্তুতিতে যুক্ত হয়েছে ভিন্ন মাত্রা। দীর্ঘ ৩৬ বছর পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একই সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়বেন রাষ্ট্রপতি  ও প্রধানমন্ত্রী । এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে দিনরাত কাজ করছেন কয়েকশ শ্রমিক। প্যান্ডেল তৈরি থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা; প্রতিটি কোণ নিখুঁত করতে ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। এবার ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। প্রধান বিচারপতিসহ মন্ত্রিপরিষদ ও কূটনৈতিক কোরের প্রায় ৩৩০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। মূল প্যান্ডেলে ৩৫ হাজার মুসল্লিসহ আশপাশের সড়ক মিলিয়ে নামাজ আদায় করতে পারবে প্রায় ১ লাখ মানুষ। নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার পাশাপাশি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে দুটি মেডিকেল টিম। আরও পড়ুন: ঈদযাত্রা /পদ্মা ও যমুনা সেতুতে টোল আদায়ের রেকর্ড নিরাপত্তা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা আর ওয়াচ টাওয়ারের নজরদারিতে আগত মুসল্লিদের মানতে হবে বিশেষ কড়াকড়ি। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্যান্ডেলের ভেতরে নামাজের কাতারগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে। পুরো মাঠে সর্বমোট ১২১টি কাতার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৫টি বড় আকারের এবং ৫৬টি ছোট আকারের কাতার রাখা হয়েছে। আরও জানা গেছে, মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে ঈদগাহের অভ্যন্তরীণ স্থান পূর্ণ হয়ে গেলে প্রতিবারের মতো এবারও আশপাশের খোলা জায়গা ও সংলগ্ন সড়ক মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারবেন।