চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরাইলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ

চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরাইলি অস্ত্র কোম্পানি এলবিট সিস্টেমসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। দ্য আর্থকুয়েক ফ্যাশন নামের একটি গোপন সংগঠন এই অগ্নিসংযোগের দায় স্বীকার করেছে। খবর আল জাজিরার।প্রতিবেদন মতে, একটি চেক কোম্পানি ও এলবিট সিস্টেমসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ওই স্থাপনায় আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোরেঅগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে স্থাপনাটির বেশ কয়েকটি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। দ্য আর্থকুয়েক ফ্যাশন বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে লিখেছে, ‘ইসরাইলের বৃহত্তম অস্ত্র প্রস্তুতকারকের ইউরোপীয় কার্যক্রমের জন্য এই স্থানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন এটি জ্বলছে।’ তারা আরও লিখেছে, ইসরাইলের সঙ্গে ‘সহযোগী আন্তর্জাতিক সরকারগুলোর কাছে ভিক্ষা চাওয়ার সময় আর নেই...তাদের হত্যার সরঞ্জামগুলো ধ্বংস করতে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’  সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে চেক প্রজাতন্ত্রের পারদুবাইস শহরে অবস্থিত এলবিট সিস্টেমস-এর একটি ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’-এ তারা আক্রমণ চালায়। এই কেন্দ্রটি স্থানীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছিল বলে তারা উল্লেখ করে। আরও পড়ুন: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড সংগঠনটি জানায়, তারা ওই স্থাপনার যন্ত্রপাতি নষ্ট করে এবং কারখানায় আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে তাদের দাবি, এতে কোনো মানুষ আহত হয়নি। আর্থকুয়েক ফ্যাকশন নিজেদেরকে এমন একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক হিসেবে বর্ণনা করেছে, যারা ইসরাইল-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে। তাদের বক্তব্যে বলা হয়, ফিলিস্তিন ও পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা এ ধরনের হামলা চালিয়ে যাবে। তারা আরও অভিযোগ করে, এলবিট সিস্টেমস যে অস্ত্র তৈরি করে, তা প্রথমে ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যবহার করা হয়, এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করা হয়—যদিও এই অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। সংগঠনটি আন্তর্জাতিক সরকারগুলোর কাছে আবেদন করার বদলে সরাসরি পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলেছে। আরও পড়ুন: রয়টার্সের প্রতিবেদন / ইউরোপ ট্রাম্পকে জানিয়ে দিয়েছে, ‘ইরান যুদ্ধ আমাদের নয়’ চেক কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, তারা ‘সম্ভাব্য সন্ত্রাসী যোগসূত্র’ খতিয়ে দেখছে।