নিখোঁজের ৩ দিন পর মেঘনা থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য রক্ষা অভিযানের স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ হওয়ার ৩ দিন পর মেঘনা নদী থেকে পুলিশ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা ইকোপার্ক সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এর আগে, গত বুধবার সন্ধ্যার পর লালমোহনের মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকার মেঘনা নদীতে মৎস্য রক্ষা অভিযানে গিয়ে স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ হন ফখরুল ইসলাম। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১৮ মার্চ) লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত এএসআই ওমর ফারুকের নেতৃত্বে কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আল-আমিন, কনস্টেবল হাসিবুর রহমান এবং উপজেলা মৎস্য অফিসের মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি ক্ষেত্রসহকারী সাইফুল ইসলাম সোহাগ, ক্ষেত্রসহকারী মনোয়ার হোসেন, অফিস সহকারী আব্বাস উদ্দিন ফরাজিসহ মৎস্য রক্ষা অভিযানে যায়।সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মঙ্গল সিকদার লঞ্চঘাট পৌঁছে ঘাটে থাকা স্পিডবোটে নিয়ে মেঘনা নদীতে রওয়ানা করে কিছুদূর যাওয়ার পরে হঠাৎ স্পিডবোট বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মঙ্গল সিকদার লঞ্চ ঘাটের পল্টুনে থাকা ঢাকাগামী কর্ণফুলী-১২ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোট উল্টে গিয়ে পুলিশ সদস্য ও স্পিডবোটে থাকা অন্যান্য সদস্যরা মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। স্পিডবোটে থাকা তিনজন পুলিশ সদস্য ও মৎস্য অফিসের সদস্যরা উঠতে পারলেও পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম তার সঙ্গে থাকা শর্টগানসহ পানিতে তলিয়ে যায়।আরও পড়ুন: সন্ধান মেলেনি মেঘনায় নিখোঁজ বরিশালের পুলিশ সদস্যেরএ ঘটনার পর থেকে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবুরি দল মেঘনা নদীতে উদ্ধার অভিযান চালালেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে দৌলতখানের মেঘনা নদীর তীরে একজন পুলিশ সদস্যের মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করে।দৌলতখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা আসলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।