ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে কোনো আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ মার্চ) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতিতে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো যুদ্ধবিরতি চাই না। আপনারা জানেন, যখন আপনি আক্ষরিক অর্থেই অপর পক্ষকে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছেন, তখন আপনি যুদ্ধবিরতিতে যেতে পারেন না।’ এসময় হরমুজ প্রণালি নিয়েও কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রচুর সহায়তার প্রয়োজন। চীন ও জাপানের মতো দেশগুলো এতে যুক্ত হলে বিষয়টি ‘ভালো হবে। আরও পড়ুন: ইরানি ড্রোন ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্যে বসলো ইউক্রেনের ইন্টারসেপ্টর ব্যবস্থা এদিকে ইসরাইল লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। স্থানীয় সময় শুক্রবার তেহরানের মিসাইল হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় তেল আবিব ও পশ্চিম তীর। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে কাজ করে। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর লাগাতার রকেট হামলায় উত্তর ইসরাইলেও বারবার সাইরেন বেজে উঠে। ইরানের রাজধানী তেহরানে দুটি বিস্ফোরণের খবর জানিয়েছে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানায় স্থানীয় সূত্র। একই সময় তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তেহরানের আকাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। সম্ভাব্য আকাশ হামলা প্রতিহত করতে প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়। আরও পড়ুন: ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বললেন ট্রাম্প! অন্যদিকে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইউনিট জানায়, ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিকভাবে সরে যেতে নতুন করে সতর্ক বার্তা দিয়েছে ইসরাইল। হিজবুল্লাহর অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা জানায় তারা। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার নৌসেনা ও নাবিক মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এমন তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। কর্মকর্তারা জানান, ইরানে সরাসরি সেনা মোতায়েনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে এই অঞ্চলে ভবিষ্যৎ অভিযানের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেখানে নতুন সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।