ভারত মহাসাগরের দিয়াগো গার্সিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে ইরান অন্তত দুটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারেনি। একটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ছোড়া ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করে দেয়া হয়। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে কিনা, নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কখন নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে ‘বিন্দুমাত্র’ আগ্রহ নেই ট্রাম্পের ভারত মহাসাগরের ঠিক মাঝখানে বিষুবরেখার দক্ষিণে দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপের অবস্থান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটনে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস ও ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি। এছাড়া ইরানের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএন-ও দিয়াগো গার্সিয়াকে লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর জানিয়েছে। আরও পড়ুন: ইরানি ড্রোন ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্যে বসলো ইউক্রেনের ইন্টারসেপ্টর ব্যবস্থা সংবাদমাধ্যমটি এ দ্বীপকে নিজ ভূখণ্ড থেকে অনেক দূরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ও মার্কিন বিমানবাহিনীর ভারী বোমারু বিমানের প্রধান বিমানঘাঁটি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দিয়াগো গার্সিয়াকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা নির্দেশ করে যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আগের দাবির চেয়ে অনেক বেশি। গত মাসে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে।