ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান গুটিয়ে আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের সংকট মোকাবিলায় ইরানের তেল পরিবহনের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ওয়াশিংটন।স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান। পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বিশাল সামরিক প্রচেষ্টাকে গুটিয়ে আনার কথা ভাবছি আমরা। কারণ, আমাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ সংঘাতের শিগগিরই অবসান হতে পারে—ট্রাম্পের এ বার্তা এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পরিণতির বিষয়ে সবচেয়ে জোরালো ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরও পড়ুন: ৪ হাজার কিমি দূরে ভারত মহাসাগরে ব্রিটিশ–মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান! যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের এ বার্তার কিছুক্ষণ পরই হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক্সে দেয়া পোস্টে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও পেন্টাগন আগেই আভাস দিয়েছিল যে এ মিশন সফল করতে প্রায় ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ লাগতে পারে।’ ইরান যুদ্ধের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরইমধ্যে জাহাজে তোলা হয়েছে এমন ইরানি তেলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হচ্ছে। ওয়াশিংটনের এ অনুমতির ফলে ২০ মার্চের আগে জাহাজে তোলা ইরানের অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত খালাস ও বিক্রি করা যাবে। আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে ‘বিন্দুমাত্র’ আগ্রহ নেই ট্রাম্পের এদিকে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি তার দেশের শত্রুদের ‘মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো মোক্ষম জবাব’ দেয়ার দাবি করার পর সৌদি আরব এবং ইসরাইলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে তেহরান। ইরানের এই হামলার পর শনিবার ভোরে তেহরানের ‘শাসকগোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তু’তে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান