ট্রাফিক পুলিশ, ডাক্তার, নার্স ও রোগীদের ঈদ উপহার দিল ‘টিম খোরশেদ’

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে ব্যতিক্রম মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।‘টিম খোরশেদ’ ও ‘ওয়ার্কিং ফর বেটার নারায়ণগঞ্জ’ নামে দুটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এবং করোনাবীর খ্যাত খোরশেদ প্রতি বছরের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবারও তিনি তার এই দুই সংগঠনের উদ্যোগে জনসেবায় এগিয়ে এসেছেন।শহরের দুটি সরকারি হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসক, নার্স ও বিভিন্ন সড়কে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের জন্য ঈদের শুভেচ্ছা খাবার ও উপহার দিয়ে তাদের সঙ্গে  ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন।শনিবার (২১ মার্চ) ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায়ের পর শহরের চাষাঢ়া ও ২নম্বর রেলগেট এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ এবং খানপুর এলাকায় ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ও জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপতালে টিম খোরশেদ ও ওয়ার্কিং ফর বেটার নারায়ণগঞ্জের সদস্যদের নিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।তিনি জানান, ঈদের আনন্দ যখন পরিবার-পরিজনকে নিয়ে ঘিরে থাকে, তখন অনেকেই যারা সরকারি দায়িত্ব পালনের কারণে বা অসুস্থতার জন্য সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। তাদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে টিম খোরশেদ ও ওয়ার্কিং ফর বেটার নারায়ণগঞ্জের পক্ষ থেকে তার এই উদ্যোগ।আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে প্লাস্টিক ও ভাঙারির গুদামে আগুন, ১০ লাখ টাকার ক্ষতিখোরশেদ বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা চেষ্টা করছি ঈদের দিনটিকে একটু হলেও আনন্দময় করে তুলতে তাদের জন্য, যারা পরিবার থেকে দূরে আছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও ট্রাফিক পুলিশ ভাইদের জন্য সামান্য উপহার নিয়ে তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে আমি ঈদ উদযাপন করেছি।’এসময় দুই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের হাতে ঈদ উপহার ও খাবার তুলে দেন খোরশেদ। পাশাপাশি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝেও এই উপহার বিতরণ করেন তিনি।খোরশেদ আরও বলেন, ‘ট্রাফিক পুলিশরা জনগণকে সেবা দিতে ঈদের দিনও রোদে পুড়ে এবং বৃষ্টিতে ভিজে তাদের দায়িত্ব পালন করেন। তাদের ত্যাগের কারণে সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন। আর হাসপাতালে থাকা রোগীরাও এই বিশেষ দিনে আপনজনদের কাছ থেকে দূরে থাকেন আর নার্সরা তাদের নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাই তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ববোধ ও মানবিক দিক চিন্তা করে তাদের মুখে হাসি ফোটাতে আমি এই উদ্যোগ নিয়েছি। ইনশাল্লাহ যতোদিন বেঁচে থাকবো এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করব।’এসময় খোরশেদের সঙ্গে ছিলেন তার দুই সংগঠনের সহযোদ্ধা আনোয়ার মাহমুদ বকুল, বাচ্চু বেপারী, শওকত খন্দকার, আফজাল হোসেন প্রমুখ।