ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আরাদ ও দিমোনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (২১ মার্চ) ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের অন্তত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতে করতে ব্যর্থ হওয়ার পর সরাসরি আঘাত হানলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। হামলার পর ইসরাইলের অগ্নিনির্বাপণ সেবা বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আরাদ শহরের কেন্দ্রস্থলে আবাসিক ভবনের মাঝখানে ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘সরাসরি আঘাত’ হেনেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘হামলাকবলিত স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে’। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার দিনের শুরুতে ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। হামলাটি ডিমোনার বাইরে প্রায় ১০ কিলোমিটার (ছয় মাইল) এবং আরাদের বাইরে ৩০ কিলোমিটার (১৮.৫ মাইল) দূরে অবস্থিত ইসরাইলের পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। আরও পড়ুন: ইরানে স্থল অভিযানের ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন: রিপোর্ট এদিকে ইসরাইলি আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন ওই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি মাঝপথে ধ্বংস করতে (ইন্টারসেপ্ট) ব্যর্থ হলো, তা নিয়ে তদন্ত করবে ইসরাইলি বিমানবাহিনী। ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম আরুতজ শেভা জানিয়েছে, আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করার দুটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। এরপরই সেটি আরাদ শহরে সরাসরি আঘাত হানে।