আয়ারল্যান্ডের পর এবার সিরিজ স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। মূলত সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ থাকায় আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত হয়েছে।ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির এক কর্মকর্তা। ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি নিজেদের বার্ষিক সূচি প্রকাশ করে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (সিআই) জানিয়েছে, তারা ২০২৬ সালের মধ্যে অন্য কোনো সময়ে সিরিজটি আয়োজন করতে পারবে না। বিসিবি জানিয়েছিল, তারা সেপ্টেম্বর মাসে যাত্রা করতে পারবে না, কারণ ভারত আগামী ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ সফরে আসছে। এ বিষয়ে বিসিবি কর্মকর্তা বলেন, ‘ভারত সিরিজ যখন গত বছর থেকে এই সেপ্টেম্বর মাসে স্থানান্তরিত হয়েছে, আমরা আয়ারল্যান্ডকে জিজ্ঞাসা করেছি যে তারা কি আমাদের জন্য অন্য কোনো সময়ের ব্যবস্থা করতে পারবে। তারা জানায় যে সম্ভব নয়। তাই সিরিজ স্থগিত করা হয়েছে। তারা কিছু অন্যান্য সমস্যার মুখেও পড়েছিল। আমরা মিলিতভাবে কাজ করে নতুন সময় খুঁজব, সম্ভব হলে আগামী বছরে।’ আরও পড়ুন: বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ, ধারাভাষ্য থেকে অবসর শিবরামকৃষ্ণানের ভারতের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। বিসিবির পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ওয়ানডে ম্যাচগুলো ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো হবে ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের নয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। ৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের তুলনায় দুই পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে লাল সবুজরা। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের সরাসরি যোগ্যতা নিশ্চিত করতে ৩১ মার্চ ২০২৭-এর মধ্যে শীর্ষ ৮ দলের মধ্যে অবস্থান করতে হবে বাংলাদেশকে। এই সীমার বাইরে থাকা দলগুলোকে যোগ্যতা অর্জনের জন্য কোয়ালিফাইং টুর্নামেন্টে খেলতে হবে। আরও পড়ুন: বাবা-ছেলেকে নিয়ে ঈদের জামাতে মুশফিক, শেকড়ের টানে বগুড়ায় ঈদ উদযাপন আইয়ারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায়, বাংলাদেশ এই সময়ে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকে আতিথেয়তা দেবে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে সফর করবে। তবে, ভারত সিরিজও যদি পিছিয়ে যায় (যা ভারতের সরকারের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল), তাহলে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ সরাসরি যোগ্যতার আগে খুব কম ওয়ানডে খেলতে পারবে।