কক্সবাজার টেকনাফ দীর্ঘ ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ। এই মেরিন ড্রাইভে রয়েছে একপাশে পাহাড় অন্যপাশে সমুদ্রসৈকত। আরও রয়েছে হিমছড়ি, রেজুখাল, ইনানী, পাতুয়ারটেক ও সাবরাং জিরো পয়েন্টের মতো পর্যটন স্পট। তাই এ দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভে ঘুরতে পর্যটকরা ঝুঁকছে ছাদ খোলা বাস বা ট্যুরিস্ট বাসে।বিআরটিসি’র কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন সকাল ৯টায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে দীর্ঘ ৮০ কিলোমিটার মেরিন ডাইভে যাত্রা করে ২টি ছাদ খোলা বাস বা ট্যুরিস্ট বাস। যেখানে পর্যটকদের জন্য আসন রয়েছে ১৩১টি। যার মধ্যে আপার ডেকের আসন ৬৭ টি আর লোয়ার ডেকের আসন ৬৪ টি। জনপ্রতি আপার ডেকের আসন ভাড়া ৭০০ টাকা আর লোয়ার ডেকের ভাড়া ৬০০ টাকা।এদিকে সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে টিকিট কাউন্টারে দেখা যায়, ছাদখোলা বাসে মেরিন ড্রাইভ ঘুরতে পর্যটকরা টিকিটের জন্য লাইনের দাঁড়িয়েছেন।কয়েকজন পর্যটক জানান, মেরিন ড্রাইভে অনেক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। এগুলো ঘুরতে ইজিবাইক, সিএনজি, ট্যুরিস্ট জীপ বা প্রাইভেট কারে খরচ পড়ে ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। কিন্তু এখন ছাদখোলা বাস হওয়াতে কম টাকায় মেরিন ড্রাইভে ঘুরে বেড়ানো সুযোগ হয়েছে। তাই টিকিট করছি ছাদখোলা বাসে ঘুরে বেড়ানোর জন্য।আরও পড়ুন: লোকে লোকারণ্য কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতএদিকে কক্সবাজারস্থ বিআরটিসি'র কারিগরি প্রধান ইকবাল হাসান বাঁধন বলেন, সকাল ৯ টা সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে ছাদ খোলা বাস রওনা হয় মেরিন ডাইভে। যেতে প্রথমে হিমছড়ি-৩০ মিনিট, দুলনা সৈকত ৩০ মিনিট, ইনানী সৈকত ৩০ মিনিট, পাতুয়ারটেক সৈকত ১ ঘন্টা ও সাবরাং জিরো পয়েন্ট ৩০ মিনিট ঘুরতে পারেন পর্যটকরা। এরপর বিকেল সাড়ে ৫ টায় কক্সবাজার পৌছে বাস ২টি। পর্যটকরা ঈদের ছুটে কক্সবাজার এসে ছাদখোলা বাসে আগ্রহী হচ্ছে। ঈদের দিন ও ঈদের দ্বিতীয় দিন, দুইদিন ২টি বাস পুরো পর্যটকে ঠাসা ছিল।