নেত্রকোনায় দৃশ্যমান হচ্ছে শহুরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত মগড়া নদীর ওপর দৃষ্টিনন্দন নেটওয়ার্ক স্টিল আর্চ সেতু। নদীর বক্ষদেশে কোনো ধরনের পিলার ছাড়াই এমন নান্দনিক সেতুতে সৌন্দর্য বাড়বে শহরের। তেমনি যানজট কমবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তবে সময়ের মধ্যে শেষ হওয়া নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও ঠিকাদার এবং বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান বলছে দ্রুত শেষ হবে। এদিকে কাজের সময়ে মাটি দিয়ে ভরাট করা ও পিলার কাজ শেষে দ্রুত অপসারন চান স্থানীয়রা।নেত্রকোনা পৌরসভা ও সওজের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে জীর্ণশীর্ন বেইলী নাগড়া সেতু বাদ দিয়ে মগড়া নদীর ওপর এবার নির্মিত হচ্ছে ‘নেটওয়ার্ক আর্চ ব্রিজ’। যা দৃশ্যমান হওয়ায় সাধারণ মানুষ আনন্দিত উচ্ছ্বসিত। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে শহরবাসীর। দিনে রাতে শহরের সৌন্দর্য থাকবে বিশ্বের উন্নত কোনো দেশের মতো। ব্রিজের কাজ শেষ না হলেও চলাচলকারী সাধারণ মানুষ এক পলক থেমে চোখ জুড়িয়ে নেন। দুই বছর মেয়াদে ২২ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করছে সড়ক বিভাগ। ৫৬ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ফুটপাতসহ ১১.৮০ মিটার প্রস্থের সেতুতে নেই কোনো পিলার। সিঙ্গেল স্প্যানের ব্রিজটিকে দেখে কেউ কেউ বলছেন ঝুলন্ত ব্রিজ। এতে নদীর নাব্যতাও থাকবে। কমবে শহরের অসহনীয় যানজট। শহরবাসী খুশি হলেও বলছেন ধীরগতিতে চলছে কাজ। এছাড়াও কাজের সুবিধায় নদীর মাঝে ভরাট করা মাটি খননসহ লোহার পিলার ও অন্যান্য সরঞ্জাম অপসারণের দাবি জানান তারা। আপাতত স্টিলের স্ট্রাকচার শেষ হয়ে গেলেও শুধু ঢালাই বাকী। তবে ঈদুল আজহার আগেই কাজ শেষ করার অশ্বাস দেন ঠিকাদার। আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় বিএনপি-যুবদলের ৪ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাদুই থেকে আড়াইমাসের মধ্যেই শেষ হবে। দুটি গাড়ি অনায়াসে চলাচল করবে। যানজটের কোনো সুযোগ থাকবে না বললেন ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল ফারুক খান সনি। নদীর গতিপথ ঠিক রাখতেই এই সিঙ্গেল স্প্যানের ব্রিজ করা হচ্ছে। দুইপাশে ফুটপাত বাকী রয়েছে। এতে শহরের সৌন্দর্যসহ আমরা যানজটের নিরসন করতে সক্ষম হব। যা নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে বলেন জানান সওজের এই কর্মকর্তা। অপসারণ করা হবে সব সরঞ্জাম বললেন সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম মিত্র। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বাস্তবায়নাধীন ব্রিজের গত জুলাই ২০২৪ সালে কার্যাদশে হলেও পরের বছর ২০২৫ সালের শুরতেইে কাজ শুরু হয়। যা শেষ হওয়ার কথা চলতি বছরের জুনে।