মনিকা একজন সোশ্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটি। ঢাকার পথঘাটে তাকে অস্বাভাবিক কিছু কর্মকাণ্ড করতে দেখা যায়। কেউ সেসব সরাসরি দেখেছেন, কেউ দেখেছেন ফেসবুক-ইনস্টায়। কে সে, কোথা থেকে এলো? চলুন জেনে নিই মনিকা সম্পর্কে। মনিকার জন্ম রাশিয়ায়, বেড়ে উঠেছেন মস্কো শহরে। বাবার ব্যবসাসূত্রে কখনো এশিয়া, কখনো ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তার মায়ের নাম ম্যারিয়া গোজেন। মনিকার রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা মনিশকা। বাংলা ‘কবির’ অংশটুকু এলো কোত্থেকে? এক সাক্ষাৎকারে মনিকা বলছিলেন, নামের শেষে ‘কবির’ নিয়েছেন দাদার কাছ থেকে। তার দাদা-দাদি ভারতের নয়াদিল্লির মানুষ। তার বাবা সেখানেই বড় হয়েছেন। ব্যবসার জন্য রাশিয়ায় যান মনিকার বাবা, সেখানেই তার মায়ের সঙ্গে পরিচয়। তার বাবা বাংলাদেশে চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে তার সঙ্গেই প্রথম তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। আরও পড়ুন:বাংলাদেশে বিয়ে করেছেন সেই মনিকাঢাকায় পথচারীকে মারধরের অভিযোগে মডেল মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে মামলাপথচারীকে মারধর করে ভাইরাল কে এই মডেল মনিকাবাংলাদেশের নায়িকারা তো আমার চেয়েও নোংরা জামা পরে : মনিকা কবিরশৈশবে বাড়িতে পড়াশোনা করেছেন মনিকা। পাঁচ বছর বয়সে সরাসরি ক্লাস ফাইভে ভর্তি হন। বারো বছরে শেষ করেন কলেজের পড়াশোনা। এরপর ভর্তি হন ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে। মাতৃভাষা রুশ ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, আজারবাইজানি, তুর্কি ও ইংরেজি ভাষায় বলতে, পড়তে ও লিখতে পারেন মনিকা। বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনিকার নানান রকম ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেসব মানুষের নজরে আসে। দেখা যায় তিনি নাচ করছেন, নয়তো মানুষের সঙ্গে গল্প করছেন, মেট্রোরেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নয়তো পুলিশের সঙ্গে ছবি তুলছেন। এসব কাণ্ডকারখানার জন্য অনেকে অনুপ্রেরণা দেন, আবার অনেকে বিরক্ত হয়। বাংলাদেশের অনেকগুলো জায়গা ঘুরে বেরিয়েছেন মনিকা। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, রাজশাহী, সিলেটের টিলা, চা-বাগান আর সবুজ তাকে মুগ্ধ করেছে। এরই মধ্যে দেশের বেশ কিছু ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন মনিকা। তবে তার কাজের শুরুটা হয়েছিল পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে, অনুবাদক হিসেবে। এটা তার বক্তব্য। শিগগিরই হয়তো তাকে দেখা যাবে বলিউডের কোনো সিনেমায়। আরএমডি